ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে লাফিয়ে রোগীর মৃত্যু: আত্মহত্যার সন্দেহ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের আটতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে নাজমীন আক্তার (২০) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন স্বজন ও পুলিশ।

নিহত নাজমীন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার জালাল মিয়ার মেয়ে এবং চার মাস বয়সী এক সন্তানের জননী ছিলেন। কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার সময় নাজমীনের মা বাথরুমে গিয়েছিলেন এবং বাবা একটি রিপোর্ট আনতে ওয়ার্ডের বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে নাজমীন ভবনের পেছনের দিক দিয়ে নিচে লাফিয়ে পড়েন। পরে লোকজনের ভিড় দেখে তার বাবা সেখানে গিয়ে মেয়ের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

নাজমীনের বাবা জালাল খন্দকার জানান, ২০২১ সালে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। স্বামী রায়হান পেশায় কৃষক। তিনি অভিযোগ করেন, নাজমীন দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকলেও স্বামী তাঁর কোনো খোঁজ নিতেন না এবং চিকিৎসার খরচও বহন করতেন না। স্বামীর চরম অবহেলা এবং দীর্ঘদিনের অসুস্থতার যন্ত্রণা থেকেই নাজমীন আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন বলে তাঁর পরিবারের ধারণা।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত নাজমীনের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করতেই ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েছেন। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শাহবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার পেট্রোল জব্দ, আটক ১

ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে লাফিয়ে রোগীর মৃত্যু: আত্মহত্যার সন্দেহ

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের আটতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে নাজমীন আক্তার (২০) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন স্বজন ও পুলিশ।

নিহত নাজমীন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার জালাল মিয়ার মেয়ে এবং চার মাস বয়সী এক সন্তানের জননী ছিলেন। কিডনি জটিলতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার সময় নাজমীনের মা বাথরুমে গিয়েছিলেন এবং বাবা একটি রিপোর্ট আনতে ওয়ার্ডের বাইরে ছিলেন। এই সুযোগে নাজমীন ভবনের পেছনের দিক দিয়ে নিচে লাফিয়ে পড়েন। পরে লোকজনের ভিড় দেখে তার বাবা সেখানে গিয়ে মেয়ের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

নাজমীনের বাবা জালাল খন্দকার জানান, ২০২১ সালে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। স্বামী রায়হান পেশায় কৃষক। তিনি অভিযোগ করেন, নাজমীন দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকলেও স্বামী তাঁর কোনো খোঁজ নিতেন না এবং চিকিৎসার খরচও বহন করতেন না। স্বামীর চরম অবহেলা এবং দীর্ঘদিনের অসুস্থতার যন্ত্রণা থেকেই নাজমীন আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন বলে তাঁর পরিবারের ধারণা।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত নাজমীনের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করতেই ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েছেন। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শাহবাগ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।