ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

ডাকসু নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য: তীব্র ক্ষোভের মুখে জামায়াত নেতার দুঃখ প্রকাশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান। ডাকসুকে ‘মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে তার দেওয়া বক্তব্যকে ‘কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অর্বাচীন’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ডাকসু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে, সর্বস্তরের নিন্দা ও প্রতিবাদের মুখে নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শামীম আহসান।

গত শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বরগুনার পাথরঘাটার কাটাখালী এলাকায় বরগুনা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মো. শামীম আহসান বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের আগে এটি মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ইসলামী ছাত্রশিবির ক্ষমতায় এসে তা পরিবর্তন করেছে।” তার এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার জন্ম দেয়।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি, সুনাম, ঐতিহ্য ও সম্মান চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে এই অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অর্বাচীন বক্তব্য। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যদিকে, ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ জামায়াত নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে একটি ‘খোলা চিঠি’ বিবৃতি দেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, সমাজসেবা সম্পাদক রমনা জোন পুলিশের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় বহিরাগত কিছু মাদক ও পতিতা সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন, যা সত্য। তবে ঢালাওভাবে পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ডাকসুকে ‘মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা’ বলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ও চরম অবমাননাকর। তিনি শামীম আহসানকে অবিলম্বে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান, অন্যথায় শাহবাগ থানায় মানহানির অভিযোগে মামলা করার হুঁশিয়ারিও দেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ডাকসু সদস্য হেমা চাকমার নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান। প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট বক্তব্য ও রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে অবমাননাকর ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়ে আসছে। তারা জোর দিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা ঐতিহাসিক সব গণআন্দোলনে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার সর্বশেষ উদাহরণ জুলাই অভ্যুত্থান। এমতাবস্থায় নারীদের পেশা, চরিত্র ও মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে চরম নিন্দনীয় বলে আখ্যায়িত করেন তারা।

ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, তিনি কোনো বিশেষ পরিচয় বা পথ-পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করে নয়, বরং একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী রাজনীতিক ও প্রান্তিক অঞ্চল থেকে উঠে আসা নারী শিক্ষার্থী হিসেবে কথা বলছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে এখনো মেয়েদের উচ্চশিক্ষা, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া নিয়ে সামাজিক ভীতি ও কুসংস্কার বিদ্যমান। নারী শিক্ষার্থীরা কথা বললে বা প্রতিবাদ করলে পরিকল্পিতভাবে তাদের চরিত্রহনন করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ কথা বলার সাহস না পায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক-ধর্মীয় গোষ্ঠী নিজেদের একমাত্র সত্যের ধারক মনে করে এবং ভিন্নমত দমন করতে নারী শিক্ষার্থীদের চরিত্র, পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপপ্রচার চালায়। যৌক্তিক আন্দোলন তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তারা সরাসরি চরিত্র হননের রাজনীতি শুরু করে। এসময় শিক্ষার্থীরা ওই জামায়াত নেতাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নারী শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

তীব্র সমালোচনার মুখে এদিন রাত সাড়ে ৯টায় মো. শামীম আহসান তার ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তার বক্তব্যে অনেকে মর্মাহত হয়েছেন এবং শব্দচয়ন ও প্রকাশভঙ্গিতে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়েছে। শামীম আহসান আরও দাবি করেন, অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রশাসনের ধারাবাহিক উদ্যোগে এসব অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এই প্রেক্ষাপট তুলে ধরতেই তিনি বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে জানান। দুঃখ প্রকাশ করে তিনি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও সমীচীন ভাষা ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ এবং এর শিক্ষার্থীরা দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারাগঞ্জে পাচারকালে ৪০০ লিটার পেট্রোল জব্দ, আটক ১

ডাকসু নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য: তীব্র ক্ষোভের মুখে জামায়াত নেতার দুঃখ প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসান। ডাকসুকে ‘মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে তার দেওয়া বক্তব্যকে ‘কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অর্বাচীন’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ডাকসু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে, সর্বস্তরের নিন্দা ও প্রতিবাদের মুখে নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শামীম আহসান।

গত শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বরগুনার পাথরঘাটার কাটাখালী এলাকায় বরগুনা-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মো. শামীম আহসান বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের আগে এটি মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ইসলামী ছাত্রশিবির ক্ষমতায় এসে তা পরিবর্তন করেছে।” তার এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার জন্ম দেয়।

এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। জনসংযোগ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি, সুনাম, ঐতিহ্য ও সম্মান চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে এই অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অর্বাচীন বক্তব্য। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যদিকে, ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ জামায়াত নেতার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে একটি ‘খোলা চিঠি’ বিবৃতি দেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, সমাজসেবা সম্পাদক রমনা জোন পুলিশের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় বহিরাগত কিছু মাদক ও পতিতা সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন, যা সত্য। তবে ঢালাওভাবে পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ডাকসুকে ‘মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা’ বলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ও চরম অবমাননাকর। তিনি শামীম আহসানকে অবিলম্বে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান, অন্যথায় শাহবাগ থানায় মানহানির অভিযোগে মামলা করার হুঁশিয়ারিও দেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ডাকসু সদস্য হেমা চাকমার নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান। প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট বক্তব্য ও রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে অবমাননাকর ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়ে আসছে। তারা জোর দিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা ঐতিহাসিক সব গণআন্দোলনে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার সর্বশেষ উদাহরণ জুলাই অভ্যুত্থান। এমতাবস্থায় নারীদের পেশা, চরিত্র ও মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে চরম নিন্দনীয় বলে আখ্যায়িত করেন তারা।

ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা তার বক্তব্যে বলেন, তিনি কোনো বিশেষ পরিচয় বা পথ-পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করে নয়, বরং একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী রাজনীতিক ও প্রান্তিক অঞ্চল থেকে উঠে আসা নারী শিক্ষার্থী হিসেবে কথা বলছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে এখনো মেয়েদের উচ্চশিক্ষা, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া নিয়ে সামাজিক ভীতি ও কুসংস্কার বিদ্যমান। নারী শিক্ষার্থীরা কথা বললে বা প্রতিবাদ করলে পরিকল্পিতভাবে তাদের চরিত্রহনন করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ কথা বলার সাহস না পায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক-ধর্মীয় গোষ্ঠী নিজেদের একমাত্র সত্যের ধারক মনে করে এবং ভিন্নমত দমন করতে নারী শিক্ষার্থীদের চরিত্র, পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপপ্রচার চালায়। যৌক্তিক আন্দোলন তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তারা সরাসরি চরিত্র হননের রাজনীতি শুরু করে। এসময় শিক্ষার্থীরা ওই জামায়াত নেতাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নারী শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

তীব্র সমালোচনার মুখে এদিন রাত সাড়ে ৯টায় মো. শামীম আহসান তার ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তার বক্তব্যে অনেকে মর্মাহত হয়েছেন এবং শব্দচয়ন ও প্রকাশভঙ্গিতে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়েছে। শামীম আহসান আরও দাবি করেন, অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রশাসনের ধারাবাহিক উদ্যোগে এসব অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এই প্রেক্ষাপট তুলে ধরতেই তিনি বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে জানান। দুঃখ প্রকাশ করে তিনি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও সমীচীন ভাষা ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ এবং এর শিক্ষার্থীরা দেশ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।