ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের উদ্যোগে গত রোববার এক বর্ণাঢ্য গবেষণা মেলা ও ক্যারিয়ার উৎসবের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইন্স এনেক্স ভবন চত্বরে দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, যা শিক্ষার্থী, গবেষক এবং বিভিন্ন শিল্প ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী মো. ফজলুল হক অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সানজিদা মুর্শেদ অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান তাঁর বক্তব্যে এই ধরনের আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের মেধা ও সৃজনশীলতাকে স্বীকৃতি দেয় এবং গবেষকদের মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সমাজের সঙ্গে এগিয়ে চলে এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট সরকার বা রাজনৈতিক দলের দ্বারা পরিচালিত হয় না।
তিনি আরও বলেন, শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপিত হলে শিক্ষা ও গবেষণা আরও উন্নত হবে। বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত গবেষণা হচ্ছে উল্লেখ করে উপাচার্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এই গবেষণা মেলা ও ক্যারিয়ার ফেস্টিভ্যালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও দেশের মোট ৩২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ওয়েব সফট বিডি, সেইভ দ্য চিলড্রেন, কারিতাস, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বিসিএসআইআর, বাংলাদেশ নেভি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিএ, বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, প্ল্যান বাংলাদেশ, বিওআরআই, এসিএফ এবং ইউএনডিপি। মেলায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের উদ্ভাবন, গবেষণা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
রিপোর্টারের নাম 






















