ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

গোবিন্দগঞ্জে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকেলে ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে’ ব্যানারসহ গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানা চারমাথায় এসে শেষ হয়। পরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে সমাবেশে মিলিত হয়।

বিজ্ঞাপন

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ এবং সম্মুখযোদ্ধা। জীবদ্দশায় সব সময় তিনি একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও শোষণমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি শত্রুদের সঙ্গেও নির্দ্বিধায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। তার লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে দালালি, চাটুকারিতা ও দুর্নীতির কোনো ঠাঁই হবে না। আর এসব কাজ বাধাগ্রস্ত করতেই কুচক্রী মহল সুপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে।

বক্তারা আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা কোনো একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে হাদিকে হত্যা করে নিরাপদে ভারতে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশের ছাত্রজনতা ও সচেতন মহলের কাছে আজ পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, ভারত সন্ত্রাসীদের জন্য ‘সেফ হাউজ’ হয়েছে। আমাদের হাদি ভাইয়ের হত্যাকারীরা ভারতে পালিয়ে অতি স্বচ্ছন্দে ও নিরাপদে রয়েছে।

হাদি হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য তারা দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ লাখ টাকা দিয়েও মেলেনি বেতন: নওগাঁয় ১১ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে শিক্ষকতা

গোবিন্দগঞ্জে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:২৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বিকেলে ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে’ ব্যানারসহ গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানা চারমাথায় এসে শেষ হয়। পরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে সমাবেশে মিলিত হয়।

বিজ্ঞাপন

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ এবং সম্মুখযোদ্ধা। জীবদ্দশায় সব সময় তিনি একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও শোষণমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি শত্রুদের সঙ্গেও নির্দ্বিধায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। তার লক্ষ্য ছিল এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে দালালি, চাটুকারিতা ও দুর্নীতির কোনো ঠাঁই হবে না। আর এসব কাজ বাধাগ্রস্ত করতেই কুচক্রী মহল সুপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে।

বক্তারা আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা কোনো একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে হাদিকে হত্যা করে নিরাপদে ভারতে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশের ছাত্রজনতা ও সচেতন মহলের কাছে আজ পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, ভারত সন্ত্রাসীদের জন্য ‘সেফ হাউজ’ হয়েছে। আমাদের হাদি ভাইয়ের হত্যাকারীরা ভারতে পালিয়ে অতি স্বচ্ছন্দে ও নিরাপদে রয়েছে।

হাদি হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জন্য তারা দাবি জানান।