ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স

একটি ‘হাই’ বা ইমোজি পাঠাতে এখন সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। মুহূর্তেই পৌঁছে যায় প্রিয়জনের কাছে বার্তা, অনুভূতি। কিন্তু এই দ্রুততার ভিড়ে কোথাও যেন হারিয়ে গেছে অপেক্ষার রোমাঞ্চ, চিঠির গন্ধ আর কাগজে লেখা অনুভূতির উষ্ণতা। ভালোবাসা, অভিমান কিংবা আনন্দ—সবই বন্দি হয়ে আছে স্ক্রিনের আলোয়। ডিজিটাল যুগের এই বাস্তবতায় রাজশাহীর কয়েকটি ডাকবাক্স আজও দাঁড়িয়ে আছে—নীরবে, অবহেলায়, তবে স্মৃতির ভারে ভরপুর হয়ে।

রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর জিপিওর সামনে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি ডাকবাক্স যেন সেই হারিয়ে যাওয়া সময়ের নীরব প্রহরী। হলুদ, নীল আর লাল রঙের বাক্সগুলো আজ আর খুব একটা ব্যবহৃত হয় না। তবুও তাদের ভেতরে জমে আছে অগণিত জীবনের গল্প—ভালোবাসার চিঠি, প্রবাস থেকে পাঠানো খোঁজখবর, পরীক্ষার ফলের আনন্দ কিংবা কারাগারে থাকা স্বজনের দুঃখভরা কয়েকটি লাইন।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আব্দুল করিম (৭২) স্মৃতিচারণ করে বলেন, একটা চিঠির জন্য আমরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করতাম। ডাক পিয়ন আসছে শুনলেই বাড়ির সবাই ছুটে যেতাম। আজকের মতো যোগাযোগ এত সহজ ছিল না। কিন্তু তখন যে আনন্দ ছিল, সেটা এখনকার মোবাইলে নেই।

তিনি আরো বলেন, চিঠি ছিল মানুষের আবেগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাহক। হাতে লেখা অক্ষরে মানুষ নিজের মন ঢেলে দিত। একটি চিঠি বারবার পড়া যেত, বুকে আগলে রাখা যেত—যা আজকের ডিজিটাল বার্তায় সম্ভব নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিরোপা দৌড়ে আর্সেনালের বড় লাফ, ৭ পয়েন্টে পিছিয়ে ম্যান সিটি

ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

একটি ‘হাই’ বা ইমোজি পাঠাতে এখন সময় লাগে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। মুহূর্তেই পৌঁছে যায় প্রিয়জনের কাছে বার্তা, অনুভূতি। কিন্তু এই দ্রুততার ভিড়ে কোথাও যেন হারিয়ে গেছে অপেক্ষার রোমাঞ্চ, চিঠির গন্ধ আর কাগজে লেখা অনুভূতির উষ্ণতা। ভালোবাসা, অভিমান কিংবা আনন্দ—সবই বন্দি হয়ে আছে স্ক্রিনের আলোয়। ডিজিটাল যুগের এই বাস্তবতায় রাজশাহীর কয়েকটি ডাকবাক্স আজও দাঁড়িয়ে আছে—নীরবে, অবহেলায়, তবে স্মৃতির ভারে ভরপুর হয়ে।

রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর জিপিওর সামনে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি ডাকবাক্স যেন সেই হারিয়ে যাওয়া সময়ের নীরব প্রহরী। হলুদ, নীল আর লাল রঙের বাক্সগুলো আজ আর খুব একটা ব্যবহৃত হয় না। তবুও তাদের ভেতরে জমে আছে অগণিত জীবনের গল্প—ভালোবাসার চিঠি, প্রবাস থেকে পাঠানো খোঁজখবর, পরীক্ষার ফলের আনন্দ কিংবা কারাগারে থাকা স্বজনের দুঃখভরা কয়েকটি লাইন।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা আব্দুল করিম (৭২) স্মৃতিচারণ করে বলেন, একটা চিঠির জন্য আমরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করতাম। ডাক পিয়ন আসছে শুনলেই বাড়ির সবাই ছুটে যেতাম। আজকের মতো যোগাযোগ এত সহজ ছিল না। কিন্তু তখন যে আনন্দ ছিল, সেটা এখনকার মোবাইলে নেই।

তিনি আরো বলেন, চিঠি ছিল মানুষের আবেগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাহক। হাতে লেখা অক্ষরে মানুষ নিজের মন ঢেলে দিত। একটি চিঠি বারবার পড়া যেত, বুকে আগলে রাখা যেত—যা আজকের ডিজিটাল বার্তায় সম্ভব নয়।