ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবুল খায়ের ভূঁইয়া। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিভিন্ন খাত থেকে তার বার্ষিক আয় ১৬ লাখ ৫০ হাজার ২০০ টাকা। তার স্ত্রী পেশায় গৃহিণী হলেও স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ খায়ের ভূঁইয়ার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণের বেশি।
হলফনামা অনুযায়ী, আবুল খায়ের ভূঁইয়ার বয়স ৬৫ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ/ বিএড। লক্ষ্মীপুর-২ আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য। বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এ আসন থেকে দুই বার নির্বাচিত হন। আসনটি ছেড়ে দিলে উপ-নির্বাচনে খায়ের ভূঁইয়া নির্বাচিত হন।
বর্তমানে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার পদে আছেন তিনি। আবুল খায়ের ভূঁইয়ার নামে ১১টি মামলা ছিল। তবে এর মধ্যে সব মামলায় তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।
স্ত্রীর নামে যত সম্পদ
হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, আবুল খায়ের ভূঁইয়ার স্ত্রীর রওশন আরা বেগমের অকৃষি জমি রয়েছে এক কোটি ৩৭ লাখ ৩১ হাজার ১৬০ টাকার। ভবন রয়েছে এক কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ টাকার। স্বর্ণ আছে ২০ তোলা। নগদ টাকা আছে ১৫ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৫ টাকা। তিনটি ব্যাংক হিসাবে জমা আছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯৭ টাকা। ইলেকট্রনিকস পণ্য ৫০ হাজার ও আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকার রয়েছে। অর্জনকালীন মূলের সম্পদ রয়েছে এক কোটি ৩৭ লাখ ৩১ হাজার ১৬০ টাকার।
হলফনামা অনুযায়ী খায়ের ভূঁইয়ার ৬৩ লাখ ২৫ হাজার ৬১৬ টাকা মূল্যের গাড়ি রয়েছে। অকৃষি জমি রয়েছে ৬৬ লাখ ৬ হাজার ৫৮০ টাকার। অর্জনকালীন মূলের সম্পদ রয়েছে ৬৬ লাখ ৬ হাজার ৫৮০ টাকার। শেয়ার রয়েছে এক লাখ ৫০ হাজার টাকার। ইলেকট্রনিকস পণ্য এক লাখ ও আসবাবপত্র এক লাখ টাকার রয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র আছে ২১ হাজার ২৯৫ টাকার। বাড়ি ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে নির্ভরশীলরা ভাড়া পান ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৩২ টাকা।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, খায়ের ভূঁইয়ার ব্যাংক হিসাবে জমা আছে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৮৯৫ টাকা। নগদ টাকা আছে ৪৭ লাখ ৪২ হাজার ৯০২ টাকা। নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৫০ টাকা। নির্ভরশীলদের দায়-দেনা রয়েছে ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৯৮৮ টাকা।
রিপোর্টারের নাম 
























