ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

কুয়াশায় পদ্মার চরে আটকে পড়া লঞ্চের যাত্রীদের উদ্ধার

ঘন কুয়াশায় পদ্মা নদীর চরে আটকে পড়া একটি লঞ্চের প্রায় শতাধিক যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।

নৌ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট থেকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ‘এমএল মিজানুর’ নামে একটি লঞ্চ শতাধিক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। যাত্রাপথে ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের বিপরীত পাশে দিক হারিয়ে লঞ্চটি কলবাগান এলাকায় পদ্মা নদীর চরে আটকে পড়ে।

পরে রাত সোয়া ৮টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের একটি দল দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। নৌ পুলিশের এসআই মেহেদী হাসান অপূর্ব, এএসআই অশোক দত্তসহ সঙ্গীয় ফোর্স এবং স্থানীয় লোকজন একটি ট্রলার নিয়ে ঘন কুয়াশার মধ্যে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।

কুয়াশার মধ্যে কৃত্রিম আলোর সহায়তায় লঞ্চটির কাছে পৌঁছে রাত আনুমানিক ১১টা ৫৫ মিনিটে ট্রলারযোগে যাত্রীদের একে একে উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত যাত্রীদের দৌলতদিয়া বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা জানান, ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ মাইকিং করে সতর্কতা জারি করেছে। ফেরিঘাট এলাকায় নিরাপত্তামূলক ডিউটি জোরদার করা হয়েছে। ঘন কুয়াশার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার না হওয়াই ভালো।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহ উদ্দিন জানান, কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কুয়াশার তীব্রতা কমে গেলে পুনরায় শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) পৌনে ১০টা থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে এ নৌপথে ১৫টি ছোট-বড় ফেরি যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চলাচল করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সফরে ইবাদত: মুসাফিরের জন্য নামাজ ও রোজার শরয়ী বিধান

কুয়াশায় পদ্মার চরে আটকে পড়া লঞ্চের যাত্রীদের উদ্ধার

আপডেট সময় : ১২:২০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ঘন কুয়াশায় পদ্মা নদীর চরে আটকে পড়া একটি লঞ্চের প্রায় শতাধিক যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।

নৌ পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট থেকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ‘এমএল মিজানুর’ নামে একটি লঞ্চ শতাধিক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়। যাত্রাপথে ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটের বিপরীত পাশে দিক হারিয়ে লঞ্চটি কলবাগান এলাকায় পদ্মা নদীর চরে আটকে পড়ে।

পরে রাত সোয়া ৮টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশের একটি দল দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। নৌ পুলিশের এসআই মেহেদী হাসান অপূর্ব, এএসআই অশোক দত্তসহ সঙ্গীয় ফোর্স এবং স্থানীয় লোকজন একটি ট্রলার নিয়ে ঘন কুয়াশার মধ্যে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।

কুয়াশার মধ্যে কৃত্রিম আলোর সহায়তায় লঞ্চটির কাছে পৌঁছে রাত আনুমানিক ১১টা ৫৫ মিনিটে ট্রলারযোগে যাত্রীদের একে একে উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত যাত্রীদের দৌলতদিয়া বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা জানান, ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ মাইকিং করে সতর্কতা জারি করেছে। ফেরিঘাট এলাকায় নিরাপত্তামূলক ডিউটি জোরদার করা হয়েছে। ঘন কুয়াশার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার না হওয়াই ভালো।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহ উদ্দিন জানান, কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কুয়াশার তীব্রতা কমে গেলে পুনরায় শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) পৌনে ১০টা থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে এ নৌপথে ১৫টি ছোট-বড় ফেরি যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চলাচল করছে।