মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৪:০৯ পূর্বাহ্ন | ৪ঠা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | বুধবার, ১৯শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

বে টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নে বাড়বে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা: নৌপরিবহনমন্ত্রী

  • হালনাগাদ সময় : ০৩:০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বে টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক সক্ষমতা বাড়বে এবং পণ্য পরিবহনে গতি আসবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের চাহিদা পূরণ এবং বন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের অনাবাসী হাইকমিশনার ডেরেক লো নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বে টার্মিনাল প্রকল্প বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারমূলক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর একটি। আধুনিক বন্দর অবকাঠামো একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিধি ক্রমাগত বাড়ছে।

তিনি বলেন, এ বাস্তবতায় চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। বে টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এসব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হবে।

বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল প্রকল্পে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং প্রকল্পের টার্মিনাল পরিচালনায় দেশটির আন্তর্জাতিক বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের আগ্রহ ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।

শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের বন্দর ও সামুদ্রিক খাতের উন্নয়নে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে এ খাতে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের বে টার্মিনাল পরিচালনায় আগ্রহ ও প্রস্তুতির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। আন্তর্জাতিক বন্দর পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটির অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে সহায়ক হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এ ধরনের আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বন্দরের পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্য ওঠানামার কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে সিঙ্গাপুরের অনাবাসী হাইকমিশনার ডেরেক লো বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে বন্দর, সামুদ্রিক পরিবহন ও অবকাঠামো উন্নয়নে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়।

এ সময় দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বন্দর খাতকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে শ্রমিক আন্দোলন পর্যবেক্ষণ করছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল

03 November 2026

ইউনিয়ন পরিষদে দফাদারের নতুন নাম হলো ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

বে টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নে বাড়বে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা: নৌপরিবহনমন্ত্রী

হালনাগাদ সময় : ০৩:০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

বে টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক সক্ষমতা বাড়বে এবং পণ্য পরিবহনে গতি আসবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের চাহিদা পূরণ এবং বন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের অনাবাসী হাইকমিশনার ডেরেক লো নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বে টার্মিনাল প্রকল্প বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারমূলক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর একটি। আধুনিক বন্দর অবকাঠামো একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিধি ক্রমাগত বাড়ছে।

তিনি বলেন, এ বাস্তবতায় চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। বে টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এসব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হবে।

বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল প্রকল্পে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং প্রকল্পের টার্মিনাল পরিচালনায় দেশটির আন্তর্জাতিক বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের আগ্রহ ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।

শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের বন্দর ও সামুদ্রিক খাতের উন্নয়নে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে এ খাতে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের বে টার্মিনাল পরিচালনায় আগ্রহ ও প্রস্তুতির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। আন্তর্জাতিক বন্দর পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটির অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে সহায়ক হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এ ধরনের আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বন্দরের পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্য ওঠানামার কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে সিঙ্গাপুরের অনাবাসী হাইকমিশনার ডেরেক লো বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে বন্দর, সামুদ্রিক পরিবহন ও অবকাঠামো উন্নয়নে সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়।

এ সময় দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বন্দর খাতকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Share this news as a Photo Card