মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:৪৭ অপরাহ্ন | ৩রা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

ডিএসসিসি এলাকায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু

  • হালনাগাদ সময় : ১০:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। তবে আবেদন করলেই মিলবে না নিবন্ধন। এ জন্য ই-রিকশাকে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রস্তুত করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদন বা ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে।

এরপর স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক জারি করা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এর শর্ত পূরণ করতে হবে। সব শর্ত পূরণ করে সিটি করপোরেশনে আবেদন জমা দিলেই শুরু হবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ই-রিকশা নিবন্ধন, চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এক বক্তব্যে এ পরিকল্পনার কথা জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, আজ (মঙ্গলবার) থেকে ই-রিকশার নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে স্পষ্ট করে বলতে চাই- এই ফরম কিন্তু কোনো চলাচলের অনুমতিপত্র নয়, এটি কেবল নিবন্ধনের জন্য আবেদনপত্র। আবেদনকারীদের অবশ্যই নির্ধারিত শর্ত পূরণ ও বুয়েটের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পর্যায়ক্রমে ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে।

ই-রিকশা ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে একাধিক সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্ধারিত মডেলের ই-রিকশা তৈরি ও মেরামতের জন্য নির্দিষ্ট ওয়ার্কশপ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবহার বন্ধ করতে ওয়ার্ড বা থানা পর্যায়ে নির্দিষ্ট চার্জিং স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, ই-রিকশা সংখ্যা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকাকে মোট চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ পুলিশের যৌথ সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত জোন নির্ধারণ এবং অঞ্চলভিত্তিক ই-রিকশার সম্ভাব্য সংখ্যা চূড়ান্ত করা হবে।

একবারে সব অটো-রিকশা বন্ধ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, সব কিছু হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ার চেয়ে আমরা ধাপে ধাপে এগুলোকে নিয়ম ও নিবন্ধনের আওতায় আনতে চাই। প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার, ২ হাজার কিংবা ৫০০—যে কয়টি ই-রিকশা শর্ত পূরণ করবে, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে নিবন্ধনের অনুমোদন দেওয়া হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, আজ (৩ নভেম্বর) থেকে প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যে নিবন্ধন আবেদন ফরম বিতরণ করা শুরু হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নগর ভবন এবং ডিএসসিসির সব আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করা যাবে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫টি আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। অটোরিকশা ঢাকা শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা উল্লেখ করে প্রশাসক এই সমস্যা সমাধানে নাগরিক, রিকশা মালিক ও চালক এবং গণমাধ্যমসহ সকল পক্ষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

মসজিদে নববিতে নারীদের ধর্মীয় আলোচনা শোনার বিশেষ ব্যবস্থা

03 November 2026

ধানমন্ডিতে বহুতল আবাসিক ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিট

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

ডিএসসিসি এলাকায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু

হালনাগাদ সময় : ১০:৩৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। তবে আবেদন করলেই মিলবে না নিবন্ধন। এ জন্য ই-রিকশাকে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রস্তুত করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদন বা ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে।

এরপর স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক জারি করা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এর শর্ত পূরণ করতে হবে। সব শর্ত পূরণ করে সিটি করপোরেশনে আবেদন জমা দিলেই শুরু হবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ই-রিকশা নিবন্ধন, চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এক বক্তব্যে এ পরিকল্পনার কথা জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, আজ (মঙ্গলবার) থেকে ই-রিকশার নিবন্ধন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে স্পষ্ট করে বলতে চাই- এই ফরম কিন্তু কোনো চলাচলের অনুমতিপত্র নয়, এটি কেবল নিবন্ধনের জন্য আবেদনপত্র। আবেদনকারীদের অবশ্যই নির্ধারিত শর্ত পূরণ ও বুয়েটের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পর্যায়ক্রমে ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে।

ই-রিকশা ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে একাধিক সুনির্দিষ্ট উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্ধারিত মডেলের ই-রিকশা তৈরি ও মেরামতের জন্য নির্দিষ্ট ওয়ার্কশপ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবহার বন্ধ করতে ওয়ার্ড বা থানা পর্যায়ে নির্দিষ্ট চার্জিং স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, ই-রিকশা সংখ্যা ও চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকাকে মোট চারটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর সিটি করপোরেশন ও বাংলাদেশ পুলিশের যৌথ সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত জোন নির্ধারণ এবং অঞ্চলভিত্তিক ই-রিকশার সম্ভাব্য সংখ্যা চূড়ান্ত করা হবে।

একবারে সব অটো-রিকশা বন্ধ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, সব কিছু হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ার চেয়ে আমরা ধাপে ধাপে এগুলোকে নিয়ম ও নিবন্ধনের আওতায় আনতে চাই। প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার, ২ হাজার কিংবা ৫০০—যে কয়টি ই-রিকশা শর্ত পূরণ করবে, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে নিবন্ধনের অনুমোদন দেওয়া হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, আজ (৩ নভেম্বর) থেকে প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যে নিবন্ধন আবেদন ফরম বিতরণ করা শুরু হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নগর ভবন এবং ডিএসসিসির সব আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করা যাবে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৫টি আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। অটোরিকশা ঢাকা শহরের অন্যতম প্রধান সমস্যা উল্লেখ করে প্রশাসক এই সমস্যা সমাধানে নাগরিক, রিকশা মালিক ও চালক এবং গণমাধ্যমসহ সকল পক্ষের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

Share this news as a Photo Card