মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:৪৮ অপরাহ্ন | ৩রা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১৮ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পোশাকশিল্পে অশান্তি সৃষ্টিকারীদের বোরখা ও হেলমেট দেখে শনাক্ত করছে পুলিশ: এসপি শামীমা পারভীন

  • হালনাগাদ সময় : ১০:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার আশুলিয়া ও সাভারের তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিকের পরিচয় ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এসপি শামীমা পারভীন।

তিনি বলেন, বোরখা ও হেলমেট ব্যবহার করে কারা শান্ত পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তা শনাক্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে।

শামীমা পারভীন বলেন, গত দুই দিন ধরে গার্মেন্টসশিল্পকে কেন্দ্র করে শ্রমিকের নাম ব্যবহার করে শিল্প ধ্বংস এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার কাজে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

বোরখা পরা ব্যক্তি ও হেলমেট বাহিনীর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা বোরখা পরা ও হেলমেট বাহিনীর কথা বলছিলেন। আপনারা জানেন, গত ১৭ বছর ধরে আমরা হেলমেট বাহিনীর সঙ্গে পরিচিত। একইভাবে, বোরখা বা হিজাবকে ব্যবহার করে যারা অপতৎপরতা চালাচ্ছে, তাদের সম্পর্কেও আমরা পরিচিত। এ ক্ষেত্রে আমাদের পুলিশের কাছে যথেষ্ট তথ্য রয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি চলমান আছে। বোরখা বা হেলমেট পরে কারা একটি শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তা আমরা শনাক্ত করছি।’

এসপি বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মূলত কোনো দাবি-দাওয়া ছিল না। যেকোনো দাবির একটি সূচনা ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া থাকে। নিয়মতান্ত্রিকভাবেই দাবিগুলো উত্থাপিত হয়। কিন্তু কোনো ধরনের প্রক্রিয়া ছাড়াই হঠাৎ করে দুই দিন আগে শ্রমিক অসন্তোষ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত। ইপিজেড শান্ত রয়েছে। আশুলিয়া ও সাভারের প্রতিটি গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা স্বাভাবিকভাবে কাজ করছেন এবং কারখানাগুলো খোলা রয়েছে। হঠাৎ করে শ্রমিক অসন্তোষ শুরু হতে দেখা গেছে। তবে এরা প্রকৃত শ্রমিক নয়; বরং শ্রমিকের পরিচয় ব্যবহার করে বাইরে থেকে আসা কিছু বিশৃঙ্খলাকারী। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শামীমা পারভীন বলেন, ‘বোরখা পরা ব্যক্তি ও হেলমেট বাহিনীর পরিচয় আমরা শনাক্ত করছি। এ বিষয়ে আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। কারা তাদের ইন্ধন দিচ্ছে, কারা অর্থের জোগান দিচ্ছে এবং কারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, সে বিষয়েও আমরা তথ্য পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করব।’

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

মসজিদে নববিতে নারীদের ধর্মীয় আলোচনা শোনার বিশেষ ব্যবস্থা

03 November 2026

ধানমন্ডিতে বহুতল আবাসিক ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২ ইউনিট

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

পোশাকশিল্পে অশান্তি সৃষ্টিকারীদের বোরখা ও হেলমেট দেখে শনাক্ত করছে পুলিশ: এসপি শামীমা পারভীন

হালনাগাদ সময় : ১০:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ঢাকার আশুলিয়া ও সাভারের তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিকের পরিচয় ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এসপি শামীমা পারভীন।

তিনি বলেন, বোরখা ও হেলমেট ব্যবহার করে কারা শান্ত পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তা শনাক্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে।

শামীমা পারভীন বলেন, গত দুই দিন ধরে গার্মেন্টসশিল্পকে কেন্দ্র করে শ্রমিকের নাম ব্যবহার করে শিল্প ধ্বংস এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার কাজে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

বোরখা পরা ব্যক্তি ও হেলমেট বাহিনীর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা বোরখা পরা ও হেলমেট বাহিনীর কথা বলছিলেন। আপনারা জানেন, গত ১৭ বছর ধরে আমরা হেলমেট বাহিনীর সঙ্গে পরিচিত। একইভাবে, বোরখা বা হিজাবকে ব্যবহার করে যারা অপতৎপরতা চালাচ্ছে, তাদের সম্পর্কেও আমরা পরিচিত। এ ক্ষেত্রে আমাদের পুলিশের কাছে যথেষ্ট তথ্য রয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি চলমান আছে। বোরখা বা হেলমেট পরে কারা একটি শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তা আমরা শনাক্ত করছি।’

এসপি বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মূলত কোনো দাবি-দাওয়া ছিল না। যেকোনো দাবির একটি সূচনা ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া থাকে। নিয়মতান্ত্রিকভাবেই দাবিগুলো উত্থাপিত হয়। কিন্তু কোনো ধরনের প্রক্রিয়া ছাড়াই হঠাৎ করে দুই দিন আগে শ্রমিক অসন্তোষ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত। ইপিজেড শান্ত রয়েছে। আশুলিয়া ও সাভারের প্রতিটি গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা স্বাভাবিকভাবে কাজ করছেন এবং কারখানাগুলো খোলা রয়েছে। হঠাৎ করে শ্রমিক অসন্তোষ শুরু হতে দেখা গেছে। তবে এরা প্রকৃত শ্রমিক নয়; বরং শ্রমিকের পরিচয় ব্যবহার করে বাইরে থেকে আসা কিছু বিশৃঙ্খলাকারী। তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শামীমা পারভীন বলেন, ‘বোরখা পরা ব্যক্তি ও হেলমেট বাহিনীর পরিচয় আমরা শনাক্ত করছি। এ বিষয়ে আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। কারা তাদের ইন্ধন দিচ্ছে, কারা অর্থের জোগান দিচ্ছে এবং কারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, সে বিষয়েও আমরা তথ্য পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করব।’

Share this news as a Photo Card