ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

অবৈধ বসতি বন্ধে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ চান ইসরায়েলের ৬০০ সাবেক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা

ফিলিস্তিনের দখলকৃত ভূখণ্ডে অবৈধ ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ এবং সেটেলারদের সহিংসতা বন্ধে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইসরায়েলের প্রায় ৬০০ সাবেক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ট্রাম্পের কাছে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে তারা এই পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), গোয়েন্দা সংস্থা এবং কূটনৈতিক মিশনের গুরুত্বপূর্ণ সাবেক কর্মকর্তারা রয়েছেন। তারা বর্তমান ইসরায়েল সরকারের বসতি স্থাপন নীতিকে ‘উসকানিমূলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, সেটেলারদের এই দৌরাত্ম্য কেবল ফিলিস্তিনিদের জন্যই নয়, বরং খোদ ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাবেক এই কর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, সহিংসতা বন্ধ না হলে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক ‘আব্রাহাম চুক্তি’ সম্প্রসারণের পথ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তারা মনে করেন, পশ্চিম তীরের বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা এবং সাধারণ সেনাদের জীবনও ঝুঁকিতে পড়বে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পরোয়ানা গায়েব: বিচারিক প্রক্রিয়ায় অনিয়ম নাকি ঘুষের লেনদেন?

অবৈধ বসতি বন্ধে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ চান ইসরায়েলের ৬০০ সাবেক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০১:২১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনের দখলকৃত ভূখণ্ডে অবৈধ ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ এবং সেটেলারদের সহিংসতা বন্ধে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইসরায়েলের প্রায় ৬০০ সাবেক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ট্রাম্পের কাছে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে তারা এই পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), গোয়েন্দা সংস্থা এবং কূটনৈতিক মিশনের গুরুত্বপূর্ণ সাবেক কর্মকর্তারা রয়েছেন। তারা বর্তমান ইসরায়েল সরকারের বসতি স্থাপন নীতিকে ‘উসকানিমূলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, সেটেলারদের এই দৌরাত্ম্য কেবল ফিলিস্তিনিদের জন্যই নয়, বরং খোদ ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাবেক এই কর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, সহিংসতা বন্ধ না হলে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক ‘আব্রাহাম চুক্তি’ সম্প্রসারণের পথ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তারা মনে করেন, পশ্চিম তীরের বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা এবং সাধারণ সেনাদের জীবনও ঝুঁকিতে পড়বে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।