ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জম্মু-কাশ্মীরে ভয়াবহ বন্যা: নারী-শিশুসহ ২৬ জনের মৃত্যু, অঞ্চলজুড়ে উচ্চ সতর্কতা

ভারী বর্ষণ ও মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং নদী তীরবর্তী এলাকায় জনসাধারণকে না যাওয়ার জন্য নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

রাজৌরি, পুঞ্চ, কাঠুয়া, ডোডা, বাদগাম ও কুলগামসহ পীর পাঞ্জাল পার্বত্য অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে নদী ও ঝরনাগুলোর পানি উপচে পড়েছে। রাজৌরি শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত দরহালি নদীর বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় আবাসিক এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এতে রাজৌরি ছাড়াও থানা মান্ডি, দরহাল ও মঞ্জাকোটের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে ভূমিধস ও অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বুদগামের বেরওয়াহতে একটি শপিং কমপ্লেক্স ধসে পড়লেও, আগে থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

টানা বৃষ্টির কারণে কাশ্মীরকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি আরও এক সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর আগামী তিন দিনের জন্য ভারী বৃষ্টি ও বন্যার পূর্বাভাস বহাল রাখায় পুরো অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিরোপা না জিতলেও বীরের সম্মান পাচ্ছেন মেসিরা: আর্জেন্টিনায় বিশেষ আয়োজন

জম্মু-কাশ্মীরে ভয়াবহ বন্যা: নারী-শিশুসহ ২৬ জনের মৃত্যু, অঞ্চলজুড়ে উচ্চ সতর্কতা

আপডেট সময় : ০৯:২২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ভারী বর্ষণ ও মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং নদী তীরবর্তী এলাকায় জনসাধারণকে না যাওয়ার জন্য নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

রাজৌরি, পুঞ্চ, কাঠুয়া, ডোডা, বাদগাম ও কুলগামসহ পীর পাঞ্জাল পার্বত্য অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টিতে নদী ও ঝরনাগুলোর পানি উপচে পড়েছে। রাজৌরি শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত দরহালি নদীর বিপদসীমা অতিক্রম করে প্রতিরক্ষামূলক বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় আবাসিক এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এতে রাজৌরি ছাড়াও থানা মান্ডি, দরহাল ও মঞ্জাকোটের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে ভূমিধস ও অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বুদগামের বেরওয়াহতে একটি শপিং কমপ্লেক্স ধসে পড়লেও, আগে থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

টানা বৃষ্টির কারণে কাশ্মীরকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রীষ্মকালীন ছুটি আরও এক সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর আগামী তিন দিনের জন্য ভারী বৃষ্টি ও বন্যার পূর্বাভাস বহাল রাখায় পুরো অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।