নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়া সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সাথে তার বহিষ্কারের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে দলটি।
রাজধানীর মিন্টু রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক আপত্তিকর ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকার মগবাজার এলাকার একটি শয়নকক্ষ থেকে সিসিটিভি ও মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করা ওই ভিডিওগুলোতে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। এই ঘটনা মঙ্গলবার দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করে।
জামায়াত এমপির বিয়ে ও ভার্চুয়াল জগতে ছড়িয়ে পড়া কাবিননামা নিয়েও ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এমপি গাজী নজরুল ইসলাম গত ১৭ জুন বিয়ে করেছেন বলে দাবি করলেও কাবিননামা নিবন্ধনকারী কাজীর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি বিয়ের স্থান বা তারিখ সম্পর্কে অবগত নন। কাজী জানিয়েছেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং ঢাকা থেকে ফোনে দেওয়া তথ্য দিয়ে তিনি কাবিননামা প্রস্তুত করেছেন।
কাবিননামার তথ্য অনুযায়ী, মেয়েটির জন্ম ২০০৮ সালের ২২ মে। তবে একটি ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান মরিয়ম নামের ওই তরুণীর একটি বায়োডাটা সংগ্রহ করেছে, যেটিতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম গত ২২ জুন স্বাক্ষর করা সুপারিশ রয়েছে। বায়োডাটাটিতে এমপির স্বাক্ষরের উপরে সবুজ কালিতে হাতে লেখা রয়েছে, ‘জোর সুপারিশ ক’। এই ঘটনাগুলো বিতর্কের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























