ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

তিস্তা ও নদী ব্যবস্থাপনায় বেইজিংয়ের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ, ঐকমত্যে দুই দেশ

তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও চীন। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাইয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোওইংয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নদী খনন কর্মসূচিতে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা কামনা করেন। বিশেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। জবাবে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী বাংলাদেশের এই উদ্যোগে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং জানান যে, বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় তাদের সহযোগিতা সবসময়ই গবেষণানির্ভর ও বাস্তবসম্মত।

বৈঠকে নদীভাঙন রোধ, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা এবং নৌ-চলাচলের পথ উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। চীনের মন্ত্রী বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সে দেশে উন্নত প্রশিক্ষণেরও আমন্ত্রণ জানান। এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন, যা দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে চেকপোস্টে ৫৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

তিস্তা ও নদী ব্যবস্থাপনায় বেইজিংয়ের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ, ঐকমত্যে দুই দেশ

আপডেট সময় : ০১:২৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও চীন। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন দিয়াওইউতাইয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোওইংয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নদী খনন কর্মসূচিতে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা কামনা করেন। বিশেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। জবাবে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী বাংলাদেশের এই উদ্যোগে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং জানান যে, বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় তাদের সহযোগিতা সবসময়ই গবেষণানির্ভর ও বাস্তবসম্মত।

বৈঠকে নদীভাঙন রোধ, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা এবং নৌ-চলাচলের পথ উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। চীনের মন্ত্রী বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সে দেশে উন্নত প্রশিক্ষণেরও আমন্ত্রণ জানান। এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন, যা দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।