ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে বিধ্বস্ত করে বড় জয় পেল কানাডা

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে অপ্রতিরোধ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছে কানাডা। স্বাগতিক দলটির আক্রমণাত্মক খেলার মুখে দাঁড়াতেই পারেনি কাতার। দুটি লাল কার্ড, একটি গুরুতর আঘাত এবং গোলবন্যার এই ম্যাচে মধ্যপ্রাচ্যের দলটিকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা জয় তুলে নিয়েছে কানাডা।

ম্যাচের শুরু থেকেই কানাডা নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে। বলের দখল, আক্রমণ এবং শট—সব ক্ষেত্রেই তাদের ছিল একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। পুরো ম্যাচে কানাডা ৭৮ শতাংশ বল দখলে রেখে ৩২টি শট নেয়, যার ৯টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে কাতার মাত্র দুটি শট নিতে পারলেও কোনোটিই গোলমুখে রাখতে পারেনি।

ম্যাচের ১৬ মিনিটে জোনাথন ডেভিডের শট গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা ফিরিয়ে দিলে, ফিরতি বলে গোল করে কানাডাকে এগিয়ে দেন কাইল লারিন। ২৯ মিনিটে ডান পায়ের ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডেভিড। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোলমুখের জটলা থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করেন এই ফরোয়ার্ড। ৩৩ মিনিটে তেজন বুকানানকে ফাউল করার কারণে কাতারের হোমাম আহমেদ লাল কার্ড দেখলে, প্রথমার্ধের শেষভাগ থেকেই তারা ১০ জনের দলে পরিণত হয়।

বিরতির পর কাতারের দুর্দশা আরও বাড়ে। ইসমায়েল কোনেয়ের ওপর একটি ভয়াবহ ট্যাকলের জন্য আসিম মাদিবোও লাল কার্ড দেখলে কাতার ৯ জনের দলে পরিণত হয়। এই ঘটনায় কোনেয়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তার বদলি হিসেবে নামা নাথান সালিবা ৬৪ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন। ৭৫ মিনিটে একটি আত্মঘাতী গোলে কাতারের জালে পঞ্চমবার বল জড়ায়। আর যোগ করা সময়ে নিজের তৃতীয় গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন জোনাথন ডেভিড। তার হ্যাটট্রিকের সুবাদে ৬-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কানাডা। এই জয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় অর্জনের পাশাপাশি টুর্নামেন্টে একটি শক্তিশালী বার্তা ছুড়ে দিল স্বাগতিকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে বিধ্বস্ত করে বড় জয় পেল কানাডা

আপডেট সময় : ০৯:২৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে অপ্রতিরোধ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছে কানাডা। স্বাগতিক দলটির আক্রমণাত্মক খেলার মুখে দাঁড়াতেই পারেনি কাতার। দুটি লাল কার্ড, একটি গুরুতর আঘাত এবং গোলবন্যার এই ম্যাচে মধ্যপ্রাচ্যের দলটিকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা জয় তুলে নিয়েছে কানাডা।

ম্যাচের শুরু থেকেই কানাডা নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে। বলের দখল, আক্রমণ এবং শট—সব ক্ষেত্রেই তাদের ছিল একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। পুরো ম্যাচে কানাডা ৭৮ শতাংশ বল দখলে রেখে ৩২টি শট নেয়, যার ৯টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে কাতার মাত্র দুটি শট নিতে পারলেও কোনোটিই গোলমুখে রাখতে পারেনি।

ম্যাচের ১৬ মিনিটে জোনাথন ডেভিডের শট গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা ফিরিয়ে দিলে, ফিরতি বলে গোল করে কানাডাকে এগিয়ে দেন কাইল লারিন। ২৯ মিনিটে ডান পায়ের ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডেভিড। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোলমুখের জটলা থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করেন এই ফরোয়ার্ড। ৩৩ মিনিটে তেজন বুকানানকে ফাউল করার কারণে কাতারের হোমাম আহমেদ লাল কার্ড দেখলে, প্রথমার্ধের শেষভাগ থেকেই তারা ১০ জনের দলে পরিণত হয়।

বিরতির পর কাতারের দুর্দশা আরও বাড়ে। ইসমায়েল কোনেয়ের ওপর একটি ভয়াবহ ট্যাকলের জন্য আসিম মাদিবোও লাল কার্ড দেখলে কাতার ৯ জনের দলে পরিণত হয়। এই ঘটনায় কোনেয়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তার বদলি হিসেবে নামা নাথান সালিবা ৬৪ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে ব্যবধান ৪-০ করেন। ৭৫ মিনিটে একটি আত্মঘাতী গোলে কাতারের জালে পঞ্চমবার বল জড়ায়। আর যোগ করা সময়ে নিজের তৃতীয় গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন জোনাথন ডেভিড। তার হ্যাটট্রিকের সুবাদে ৬-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কানাডা। এই জয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় অর্জনের পাশাপাশি টুর্নামেন্টে একটি শক্তিশালী বার্তা ছুড়ে দিল স্বাগতিকরা।