নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মনে করছে, ক্লোজএন্ড (মেয়াদি) মিউচুয়াল ফান্ডকে অবসায়নের পরিবর্তে ওপেনএন্ড (বেমেয়াদি) ফান্ডে রূপান্তর করলে বিনিয়োগকারীরা অধিক লাভবান হবেন। এই লক্ষ্যে সংস্থাটি ক্লোজএন্ড ফান্ডকে ওপেনএন্ডে রূপান্তরের জন্য একটি বিস্তারিত গাইডলাইন জারি করেছে।
বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সই করা এই আদেশে বলা হয়েছে, ওপেনএন্ডে রূপান্তরের ফলে বিনিয়োগকারীরা নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ভিত্তিক সুবিধা পাবেন, যা লিকুইডেশনের তুলনায় অধিক নিরাপদ ও লাভজনক। একই সঙ্গে, এই পদক্ষেপ শেয়ারবাজারে নেতিবাচক চাপ কমাতেও সহায়ক হবে।
গাইডলাইন অনুযায়ী, মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৬২(২) ও ৬৩ অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ক্লোজএন্ড ফান্ডকে ওপেনএন্ডে রূপান্তর করা যাবে। যদি কোনও ফান্ডের ছয় মাসের গড় বাজারদর এনএভির তুলনায় ২৫ শতাংশ বা তার বেশি ডিসকাউন্টে অবস্থান করে, তবে ট্রাস্টিকে ইউনিটহোল্ডারদের মতামত নিতে বিশেষ সাধারণ সভা (এসজিএম) আহ্বান করতে হবে।
গাইডলাইনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগে থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ট্রাস্টিকে রেকর্ড ডেট ঘোষণা করতে হবে। রেকর্ড ডেট ঘোষণার পর অন্তত ২১ দিনের নোটিশ দিয়ে ইউনিটহোল্ডারদের মতামতের জন্য ইজিএম আয়োজন করতে হবে। সভায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ইউনিটহোল্ডার রূপান্তরের বিপক্ষে ভোট দিলে ফান্ড অবসায়নের দিকে যাবে। অন্যথায়, প্রস্তাব বাতিল হলে ফান্ডের স্বাভাবিক লেনদেন পুনরায় চালু হবে। পুরো রূপান্তর প্রক্রিয়াটি ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। ইজিএমের আগে কমিশনে একটি তথ্য স্মারক জমা দিতে হবে, যেখানে সর্বশেষ পোর্টফোলিও, এনএভি, সম্ভাব্য রূপান্তর ব্যয়, আর্থিক পারফরম্যান্স, ডিভিডেন্ড ইতিহাস এবং নতুন ফান্ড কাঠামোর তথ্য উল্লেখ থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 






















