চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬ বুধবার (৬ মে) শেষ হয়েছে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। এতে আট বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সম্মেলনে সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবরা মাঠ প্রশাসনে সরকারের দর্শন ও নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ডিসিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে ডিসিদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবারের সম্মেলনে মোট ৩৪টি কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠ প্রশাসন থেকে পাওয়া এক হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্য থেকে বাছাই করা ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হয়। ডিসিরা সম্মেলনে নিজেদের সীমাবদ্ধতা, প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে খোলামেলা মতামত তুলে ধরেন। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করার পরিবেশ, প্রশাসনিক স্বাধীনতা, বাজারদর নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। সরকারের পক্ষ থেকে সুশাসন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রচার এবং দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
সম্মেলনের শেষ দিন চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরপেক্ষ ও জনস্বার্থে কাজ করলে সরকার প্রশাসনের পাশে থাকবে। তিনি আরও বলেন, জনগণই রাষ্ট্রের মালিক এবং সরকারি অফিসে সেবা নিতে আসা মানুষ যেন সম্মান, স্বচ্ছতা ও হয়রানিমুক্ত সেবা পায় তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। দেশ ও জনগণের কল্যাণে নির্ভয়ে ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, প্রশাসনের যেকোনো আইনি ও মানবিক উদ্যোগে সরকার সক্রিয় সহযোগিতা করবে।
রিপোর্টারের নাম 



















