পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ না করার সিদ্ধান্তকে ভারতের জাতীয় পর্যায়ের বিরোধী নেতারা সমর্থন জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, এটি কেন্দ্রের ‘স্বৈরাচার’ এবং নির্বাচন কমিশনের ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণের বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ।
শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাউত এই অবস্থানকে সমর্থন করে বলেছেন যে, কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া এখন জরুরি। তিনি নির্বাচন কমিশনকে কেন্দ্রের ‘দাসে’ পরিণত হওয়ার অভিযোগ করেছেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তকে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাঁর আন্দোলনের অংশ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে তাঁর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, এই নির্বাচনি ফলাফল জনমত নয়, বরং একটি বড় ‘ষড়যন্ত্র’। তিনি বলেন, ‘জনগণের রায় লুটে নেওয়া হয়েছে,’ তাই পদত্যাগের প্রশ্নই ওঠে না। তিনি প্রায় ১০০টি আসনে কারচুপি এবং ভোট গণনার গতি ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।
তৃণমূলের রাজ্যসভার উপনেতা এই ঘটনাকে ‘বিজেপি-ইসি’র যোগসাজশ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এই নির্বাচন যেভাবে কারচুপি করা হয়েছে, তাতে মমতার পদত্যাগ না করার সিদ্ধান্ত ইতিহাসে তাঁর তীব্রতম প্রতিবাদ হিসেবে লেখা থাকবে। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব সুপ্রিম কোর্টের কাছে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনি প্রক্রিয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন এবং ভোট গণনার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি শিগগিরই পশ্চিমবঙ্গ সফরে যাবেন বলেও জানান। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও তৃণমূলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং সংকীর্ণ রাজনীতি সরিয়ে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 





















