ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬

লোহিত সাগরে অস্থিরতার সুযোগে সোমালিয়া উপকূলে ফের জলদস্যু আতঙ্ক

দীর্ঘ এক দশক স্তিমিত থাকার পর সোমালিয়া উপকূলে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে জলদস্যুতা। গত মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক নৌ-নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, সোমালিয়া উপকূলের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। গত ২০ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে ‘আলখারি-২’, তেলবাহী ট্যাংকার ‘অনার-২৫’ এবং ‘সোয়ার্ড’ নামক তিনটি জাহাজ দস্যুরা অপহরণ করে। এর মধ্যে ‘অনার-২৫’ জাহাজে পাকিস্তান ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের ১৭ জন ক্রু রয়েছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তেলবাহী জাহাজগুলো এখন দস্যুদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা সামাল দিতে আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী এখন ব্যস্ত। এই প্রহরার ঘাটতিকেই সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে সোমালি দস্যুরা। ২০০৫ থেকে ২০১২ সালের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি এড়াতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে এখন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্কারের ইতিহাসে আমূল পরিবর্তন: বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ

লোহিত সাগরে অস্থিরতার সুযোগে সোমালিয়া উপকূলে ফের জলদস্যু আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০২:১০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

দীর্ঘ এক দশক স্তিমিত থাকার পর সোমালিয়া উপকূলে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে জলদস্যুতা। গত মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ জলদস্যুদের কবলে পড়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক নৌ-নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, সোমালিয়া উপকূলের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। গত ২০ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে ‘আলখারি-২’, তেলবাহী ট্যাংকার ‘অনার-২৫’ এবং ‘সোয়ার্ড’ নামক তিনটি জাহাজ দস্যুরা অপহরণ করে। এর মধ্যে ‘অনার-২৫’ জাহাজে পাকিস্তান ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের ১৭ জন ক্রু রয়েছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় তেলবাহী জাহাজগুলো এখন দস্যুদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা সামাল দিতে আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী এখন ব্যস্ত। এই প্রহরার ঘাটতিকেই সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে সোমালি দস্যুরা। ২০০৫ থেকে ২০১২ সালের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি এড়াতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে এখন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।