মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৩:৩৫ অপরাহ্ন | ১লা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | রবিবার, ১৬ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

রেকর্ড রেমিট্যান্স প্রবাহ: তিন মাসে ৮৬৭ কোটি ডলার, শীর্ষে সৌদি আরব

  • হালনাগাদ সময় : ০৯:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

চলতি অর্থবছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। এই তিন মাসে মোট ৮৬৭ কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং বছরওয়ারি হিসেবে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে একক দেশ হিসেবে সৌদি আরব থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ১৩০ কোটি ৬১ লাখ ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যেখান থেকে এসেছে ১১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এছাড়া যুক্তরাজ্য থেকে ১১৪ কোটি ৫৩ লাখ ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ৯৩ কোটি ৩৯ লাখ ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬৫ কোটি ৮৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাংকিং চ্যানেলের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি এবং সরকারের কার্যকর নীতিগত পদক্ষেপের কারণেই এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।

এদিকে, অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে বিদেশগামী শ্রমিকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই সময়ে মোট ২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৪ জন শ্রমিক বিদেশে গেছেন, যার মধ্যে ১৮ হাজার ২২৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ৬৩ দশমিক ৭৬ শতাংশই গেছেন সৌদি আরবে। এছাড়া কাতার, সিঙ্গাপুর ও কুয়েতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শ্রমিক পাড়ি জমিয়েছেন।

ব্যাংকিং চ্যানেলভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, মোট রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে (৭০ দশমিক ৬৪ শতাংশ বা ৬১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার)। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ (১৬৩ কোটি ৪৭ লাখ ডলার) এবং বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ (৮৯ কোটি ২৭ লাখ ডলার)। অন্যদিকে, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে মাত্র শূন্য দশমিক ২২ শতাংশ বা ১ কোটি ৯৪ লাখ ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৬৫ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১১ কোটি ডলার। সংশ্লিষ্টদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের অভিযোগে নাম-ঠিকানা ও ফোন নম্বর ভাইরাল: ফেসবুকের বিষাক্ত প্রচারণায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগীরা

01 November 2026

বিশ্বসুন্দরী থেকে রূপালি পর্দার রানী: জীবনের ৫৩ বছরে ঐশ্বরিয়া রাই

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

রেকর্ড রেমিট্যান্স প্রবাহ: তিন মাসে ৮৬৭ কোটি ডলার, শীর্ষে সৌদি আরব

হালনাগাদ সময় : ০৯:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

চলতি অর্থবছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। এই তিন মাসে মোট ৮৬৭ কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং বছরওয়ারি হিসেবে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে একক দেশ হিসেবে সৌদি আরব থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ১৩০ কোটি ৬১ লাখ ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যেখান থেকে এসেছে ১১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এছাড়া যুক্তরাজ্য থেকে ১১৪ কোটি ৫৩ লাখ ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ৯৩ কোটি ৩৯ লাখ ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬৫ কোটি ৮৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাংকিং চ্যানেলের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি এবং সরকারের কার্যকর নীতিগত পদক্ষেপের কারণেই এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।

এদিকে, অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে বিদেশগামী শ্রমিকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই সময়ে মোট ২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৪ জন শ্রমিক বিদেশে গেছেন, যার মধ্যে ১৮ হাজার ২২৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ৬৩ দশমিক ৭৬ শতাংশই গেছেন সৌদি আরবে। এছাড়া কাতার, সিঙ্গাপুর ও কুয়েতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শ্রমিক পাড়ি জমিয়েছেন।

ব্যাংকিং চ্যানেলভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, মোট রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে (৭০ দশমিক ৬৪ শতাংশ বা ৬১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার)। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ (১৬৩ কোটি ৪৭ লাখ ডলার) এবং বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ (৮৯ কোটি ২৭ লাখ ডলার)। অন্যদিকে, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে মাত্র শূন্য দশমিক ২২ শতাংশ বা ১ কোটি ৯৪ লাখ ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৪৬৫ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১১ কোটি ডলার। সংশ্লিষ্টদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে।

Share this news as a Photo Card