রিমান্ডে নিয়ে চোখ বেঁধে জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান। একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম, নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানার এখতিয়ার গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) আছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চেয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার কারামুক্তির পর বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব অভিযোগ করেন।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মেজর আখতারুজ্জামান বলেন, জীবনে বহু রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সামনে কথা বলেছি। কাউকে ভয় পেয়ে বা হুমকিতে নতি স্বীকার করার পাত্র আমি নই। জামায়াতে ইসলামীর আমির ছাড়া আমার সামনে বড় গলায় কথা বলার মতো বাংলাদেশে আর কোনো মানুষ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রথমে আমাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার কথা বলা হলেও পরে রাস্তায় জানানো হয় বিমানবন্দর থানায় নেওয়া হবে। সেখানে পুলিশ আমাকে রেখেই চলে আসে। রিমান্ডে নেওয়ার এবং জিজ্ঞাসাবাদের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আমাকে কেন রিমান্ডে নেওয়া হলো এবং রিমান্ডে আমার চোখ বেঁধে রাখা হলো কেন? চোখ বেঁধে জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছে।
ডিবির ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, একজন পুলিশ কর্মকর্তার একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তথ্য জানার চেষ্টা করার এখতিয়ার তাকে কে দিয়েছে? অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত করতে পারে, কিন্তু একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সম্পর্কে জানার চেষ্টা তাদের দায়িত্বের অংশ কি না—সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।























