পোশাকশিল্পে চলমান বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুর কোনো সাধারণ শ্রমিক আন্দোলন নয় উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাধারণ শ্রমিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক সহিংসতা ও রাষ্ট্রবিরোধী চক্রান্ত। এসব অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬-এর খসড়া পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পোশাক খাতে বর্তমানে শ্রমিকদের কোনো অমীমাংসিত দাবিদাওয়া বাকি নেই। অথচ একটি চক্রান্তকারী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই শিল্পে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে। এসব হামলায় সাধারণ শ্রমিকদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই; বরং কিছু বহিরাগত অসৎ উদ্দেশ্যে অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
তদন্তের বরাত দিয়ে মন্ত্রী জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের কয়েকজন তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী, সাবেক সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ উসকানিতে এ সহিংসতা পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের ভেতরের মাফিয়া চক্র ও বাইরের প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি যৌথভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
মজুরি বোর্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকদের সুবিধার্থে যথাসময়ে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে প্রথম বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় রেখে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের শিল্প ও শ্রমিকবান্ধব নীতি অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন, তাই কোনো ষাজযন্ত্রমূলক অস্থিতিশীলতা বরদাশত করা হবে না।























