চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বার্ষিক ২২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা গৃহকর আদায়ের চূড়ান্ত রায় পেয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এর আগে বন্দর থেকে গৃহকর বাবদ নামমাত্র মাত্র ৩৫ কোটি টাকা পেত সংস্থাটি। এই নতুন ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার ফলে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব রাজস্ব আয় বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে দীর্ঘ শুনানি শেষে এই রায় ঘোষণা করা হয়। উভয়পক্ষের আইনি উপস্থাপন ও উপস্থিতিতে বিভাগীয় কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানান।
চসিকের রাজস্ব সার্কেল-৭-এর কর কর্মকর্তা এ কে এম সালাহউদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে চসিকের মোট গৃহকর দাবি ছিল ২৬৪ কোটি টাকা। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ এই বিশাল পরিমাণ কর পরিশোধে আপত্তি জানিয়ে আপিল করে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আপিল শুনানি শুরু হয়।
এ বিষয়ে একাধিক ধাপের শুনানি শেষে এবং ১০৩ পৃষ্ঠার বিস্তারিত নথি পর্যালোচনার পর এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এসেছে। নির্ধারিত নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে বন্দর কর্তৃপক্ষকে নিয়মিতভাবে বছরে ২২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা গৃহকর পরিশোধ করতে হবে।
চসিকের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন যেন তার ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন শুরু থেকেই অনড় ছিল। বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে নগরীর সড়ক অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, আপাতত হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এটি সিটি করপোরেশনের ইতিহাসে একটি বড় অর্জন।






















