গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের কাছে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলার শ্রী তমাল চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে ডিলার পয়েন্টের মজুত ও বিতরণ রেজিস্টারেও বড় ধরনের গরমিল পাওয়া গেছে। সার তদারকির দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই এসব অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
সরেজমিনে উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের শোভাগঞ্জ বাজারে ‘মেসার্স তমাল চন্দ্র সাহা’ নামের ডিলার পয়েন্টে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ দেখা যায়। তবে দোকানের বাইরে সার পাওয়ার আশায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় বহু কৃষককে। সকাল থেকে অপেক্ষা করেও সার না পাওয়ার ক্ষোভ জানান অনেকে।
কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার পয়েন্টে গেলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও ডিলারের কর্মচারীরা সার নেই বলে ফিরিয়ে দেন। অথচ বস্তাপ্রতি অতিরিক্ত টাকা দিলে কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করেই সার সরবরাহ করা হচ্ছে। তদারকি কর্মকর্তার সামনেই নিয়মিত এমন ঘটনা ঘটায় স্থানীয় চাষিদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, রেজিস্টার খতিয়ে দেখে টিএসপি ৩৩ বস্তা এবং ডিএপি ৫৬ বস্তা সারের গরমিল পাওয়া গেছে। অন্যদিকে নয়ামিয়া নামের এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, গোডাউনে সার থাকার প্রমাণ মিললেও দায়িত্বে থাকা কৃষি কর্মকর্তা কৃষকদের সার দিতে কালক্ষেপণ করেন এবং দিনশেষে সার নেই বলে জানান।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ডিলার মনোনীত ম্যানেজার বিধু রঞ্জন অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, কিছু সার মেমো ছাড়া বাইরে চলে যাওয়ায় হিসাবে অমিল দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কৃষি কর্মকর্তা ডেকেছেন এবং সেখানেই আলোচনা চলছে।


























