দেশে ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেন, ক্রয়-বিক্রয়, বিনিময় ও স্থানান্তরের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করে তা বহাল রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে যে কোনো সহায়তা প্রদান থেকে বিরত থাকার নির্দেশ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্রিপ্টোকারেন্সি সংশ্লিষ্ট যেকোনো লেনদেন প্রতিরোধে অভ্যন্তরীণ নজরদারি জোরদার করতে হবে। এ আদেশ প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, ১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ভার্চুয়াল মুদ্রা বাংলাদেশে বৈধ বা স্বীকৃত নয়। সার্বভৌম কোনো রাষ্ট্র কিংবা কর্তৃপক্ষের নিশ্চয়তা না থাকায় এসব মুদ্রার মূল্যে চরম অস্থিরতা বিদ্যমান, যার ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা নীতিমালায় ক্রিপ্টোকারেন্সির স্থানান্তর ও বিনিময় পুরোপুরি নিষিদ্ধ হিসেবে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশে ভার্চুয়াল মুদ্রার ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ হলেও আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অ্যানালাইসিস প্রতিষ্ঠান চেইনালাইসিসের ‘দ্য ২০২৬ জিওগ্রাফি অব ক্রিপ্টো রিপোর্ট’-এর তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারের প্রবণতায় ১১৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ৫৬তম।

























