তৈরি পোশাক খাতে অস্থিতিশীলতা, অসন্তোষ ও সহিংসতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৩(১) ধারা অনুযায়ী কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পোশাকশিল্পের মালিকেরা। সরকার নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করার পরও বিচলন ও বিশৃঙ্খলা না থামায় এমন কঠোর সিদ্ধান্তের দিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা।
রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সভা শেষে সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। সভায় বিজিএমইএর প্রায় ২৩৫ জন সদস্য অংশ নেন, যারা ৬০০ থেকে ৭০০ পোশাক কারখানার প্রতিনিধিত্ব করছেন।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, অস্থিতিশীল পরিবেশের কারণে প্রতিনিয়ত তৈরি পোশাক খাতের স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন সকালে কারখানা খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মুখে তা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চেয়ে যেকোনো পক্ষের সহিংসতার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষকেই ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি নবগঠিত ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ডকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। এদিকে শিল্পাঞ্চলের তথ্যমতে, চলমান অসন্তোষকে কেন্দ্র করে বর্তমানে আশুলিয়া, গাজীপুর ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৫২৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে।


























