আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের লক্ষ্যে ‘ভৈরব ব্যাটালিয়ন’ নামে একটি সম্পূর্ণ নতুন ও বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করেছে ভারত। এই ব্যাটালিয়নটি কেবল প্রচলিত অস্ত্র নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে হাইব্রিড যুদ্ধ কৌশলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সীমান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই আমূল পরিবর্তন আনছে। ‘ভৈরব ব্যাটালিয়ন’ মূলত একটি প্রযুক্তি-চালিত ইউনিট, যেখানে বিশাল সংখ্যক ড্রোন (Drone Swarms), রিমোট-কন্ট্রোলড রোবোটিক সিস্টেম এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ইউনিটের মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধের ময়দানে মানুষের জীবনঝুঁকি কমিয়ে প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের ধরণ বদলেছে। ড্রোন এবং সাইবার হামলা এখন যুদ্ধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারত তার এই নতুন ব্যাটালিয়নের মাধ্যমে মূলত চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে চায়। এটি কেবল একটি সাধারণ সামরিক ইউনিট নয়, বরং ভারতীয় সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণের এক বিশাল প্রতীক। এই প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তন ভবিষ্যতে ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশলকে আরও আক্রমণাত্মক এবং কার্যকরী করে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























