ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে সহিংস বিক্ষোভ: প্রাণহানি ছাড়ালো ৫০০, বাড়ছে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রাণহানির সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংস্থা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এইচআরএএনএ (HRANA) নামের ওই সংগঠনটি সাম্প্রতিক অস্থিরতায় হতাহতের এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

এইচআরএএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই গণআন্দোলনে অন্তত ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী এবং ৪৮ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময়ে দেশজুড়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১০ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ। তবে ইরান সরকার এখন পর্যন্ত নিহত বা আহতদের কোনো আনুষ্ঠানিক সংখ্যা প্রকাশ করেনি। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে এসব তথ্য যাচাই করতে পারেনি।

২০২২ সালের পর এটিই ইরানের শাসকদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এবং রক্তক্ষয়ী গণআন্দোলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ ও হত্যা বন্ধে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান সরকারকে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন, যদিও এই হুঁশিয়ারি বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা তখন স্পষ্ট ছিল না।

তবে ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান নিয়ে ভুল হিসাব না করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেছিলেন, ইরানে কোনো হামলা হলে দখলকৃত ভূখণ্ড (ইসরায়েল) সহ যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি ও জাহাজ তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: সালমান ও আনিসুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ

ইরানে সহিংস বিক্ষোভ: প্রাণহানি ছাড়ালো ৫০০, বাড়ছে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৯:১১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রাণহানির সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংস্থা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এইচআরএএনএ (HRANA) নামের ওই সংগঠনটি সাম্প্রতিক অস্থিরতায় হতাহতের এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

এইচআরএএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই গণআন্দোলনে অন্তত ৪৯০ জন বিক্ষোভকারী এবং ৪৮ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময়ে দেশজুড়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১০ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ। তবে ইরান সরকার এখন পর্যন্ত নিহত বা আহতদের কোনো আনুষ্ঠানিক সংখ্যা প্রকাশ করেনি। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে এসব তথ্য যাচাই করতে পারেনি।

২০২২ সালের পর এটিই ইরানের শাসকদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় এবং রক্তক্ষয়ী গণআন্দোলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ ও হত্যা বন্ধে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান সরকারকে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন, যদিও এই হুঁশিয়ারি বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা তখন স্পষ্ট ছিল না।

তবে ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান নিয়ে ভুল হিসাব না করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেছিলেন, ইরানে কোনো হামলা হলে দখলকৃত ভূখণ্ড (ইসরায়েল) সহ যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি ও জাহাজ তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।