যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে গত ৪০ দিনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব। তেহরানের শাসন কাঠামো ও কৌশলগত শক্তি হিসেবে পরিচিত একঝাঁক শীর্ষস্থানীয় নেতা এই সময়ের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন, যা দেশটির ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে নিজ বাসভবনে বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যু এই সংঘাতের গতিপথ আমূল বদলে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। একই সময়ে নিহত হন দেশটির কূটনীতির অন্যতম প্রধান রূপকার আলী লারিজানি। এছাড়া ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর এবং সামরিক বাহিনীর প্রধান সমন্বয়কারী জেনারেল মৌসাভিও পৃথক হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।
সবশেষ গত ৬ এপ্রিল ইরানের গোয়েন্দা প্রধান মজিদ খাদেমি বিমান হামলায় নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তাকে ইরানের সামরিক বাহিনীর অন্যতম প্রধান চোখ ও কান হিসেবে গণ্য করা হতো। একের পর এক শীর্ষ নেতার মৃত্যুতে ইরানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কৌশল নির্ধারণে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই সুপরিকল্পিত হামলাগুলো ইরানের সামরিক ও গোয়েন্দা কাঠামোকে কার্যত পঙ্গু করে দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















