ইসরাইলের লেবানন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনায় একটি বড় বিভেদ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যখন দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে, ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা পরেই ইসরাইল লেবাননে হামলা চালায়, যাতে ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়। এই ঘটনার পর ইরানও ইসরাইল ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ফলে, শুক্রবার পাকিস্তানে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার কয়েক ঘণ্টা আগে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে তিনটি বিকল্প রয়েছে: যুদ্ধ পুনরায় শুরু করা, কূটনৈতিক সমাধানের জন্য চাপ দেওয়া অথবা ইসরাইলকে নিয়ন্ত্রণে আনা। এর ওপরই নির্ভর করছে যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে কিনা। যদি তা না হয়, তবে যুদ্ধ আরও তীব্র হবে এবং শান্তির সম্ভাবনা কমে যাবে। ইরান জোর দিয়ে বলছে, যেকোনো চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধ করার বিষয়টি থাকতে হবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এতে একমত নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বুধবার সকালে পিবিএস নিউজকে বলেন, তিনি বৈরুতের ওপর হামলাকে ‘একটি আলাদা সংঘর্ষ’ হিসেবে দেখছেন এবং হিজবুল্লাহর কারণে লেবাননকে যুদ্ধবিরতি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তার প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ অর্থাৎ হিজবুল্লাহ, গাজার হামাস এবং ইয়েমেনের হুথিদের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর। তারা মনে করেন, পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘমেয়াদী শান্তির জন্য হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরে হিজবুল্লাহকে একটি ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে আসছে এবং তাদের অন্যতম ভারী অস্ত্রে সজ্জিত অরাষ্ট্রীয় শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে।
রিপোর্টারের নাম 



















