ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে ‘গণতান্ত্রিক অর্ডার’ বা গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে। এখন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নের সময় এসেছে।
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম চট্টগ্রাম সফর। বিমানবন্দরে পৌঁছালে দলীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। জনগণের ভোটে একটি নির্বাচিত সরকার ও সংসদ গঠিত হয়েছে। এখন আমাদের প্রধান কাজ হলো সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা। এই বিশাল দায়িত্ব পালনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।”
চট্টগ্রামের সামগ্রিক উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানেই পুরো বাংলাদেশের উন্নয়ন। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য এই অঞ্চল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” চট্টগ্রামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তরের পরিকল্পনা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বাণিজ্যিক রাজধানীর ধারণার সঙ্গে অনেকগুলো বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই লক্ষ্য অর্জনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হবে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে মন্ত্রী নগরীর মেহেদীবাগে তার নিজ বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে বিকেলে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে তার। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অর্থমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের ঝুলে থাকা উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নতুন করে গতি পাবে।
রিপোর্টারের নাম 





















