ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

জলাবদ্ধতা নিরসনে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি: পানিসম্পদ মন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে শিগগিরই দেশব্যাপী ব্যাপকভিত্তিক খাল খনন কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। ১৮০ দিনের এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন জেলার মৃতপ্রায় খাল ও নদীগুলো পুনঃখনন করা হবে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এসব কথা জানান।

মন্ত্রী জানান, লক্ষ্মীপুর জেলার দীর্ঘদিনের অভিশাপ জলাবদ্ধতা দূর করতে ‘ভুলুয়া নদী’ খনন এবং ‘রহমতখালী খাল’ পুনঃখননের জন্য একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে। এছাড়া মেঘনা নদী ও রহমতখালী খালের পাড় ভাঙন রোধে ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে এসে মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

লক্ষ্মীপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে এই জেলাটি চরম অবহেলার শিকার হয়েছে। আন্দোলনের শহীদদের ত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি আধুনিক ও সুন্দর লক্ষ্মীপুর গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। বিশেষ করে রাস্তাঘাট নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে সকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকসহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী তার বক্তব্যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য হটলাইন চালু

জলাবদ্ধতা নিরসনে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি: পানিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে শিগগিরই দেশব্যাপী ব্যাপকভিত্তিক খাল খনন কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। ১৮০ দিনের এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন জেলার মৃতপ্রায় খাল ও নদীগুলো পুনঃখনন করা হবে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এসব কথা জানান।

মন্ত্রী জানান, লক্ষ্মীপুর জেলার দীর্ঘদিনের অভিশাপ জলাবদ্ধতা দূর করতে ‘ভুলুয়া নদী’ খনন এবং ‘রহমতখালী খাল’ পুনঃখননের জন্য একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে। এছাড়া মেঘনা নদী ও রহমতখালী খালের পাড় ভাঙন রোধে ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে এসে মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

লক্ষ্মীপুরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে এই জেলাটি চরম অবহেলার শিকার হয়েছে। আন্দোলনের শহীদদের ত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি আধুনিক ও সুন্দর লক্ষ্মীপুর গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। বিশেষ করে রাস্তাঘাট নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে সকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী সার্কিট হাউসে পৌঁছালে তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকসহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী তার বক্তব্যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।