সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই তাদের নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধি অনুযায়ী, প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট গণনা শেষে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী যদি মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার নির্বাচনী জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আক্তার এবং দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাসতুরা আমিনা পৃথকভাবে ১৩৫টি কেন্দ্রের ফলাফলের ভিত্তিতে এই বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী-৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৭৭ জন। এর মধ্যে ১৩২টি কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬৭৫টি ভোট পড়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৩৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান পেয়েছেন ৭২ হাজার ৫১২ ভোট।
মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় যে পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তারা হলেন: ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, যিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৮৫ ভোট; ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিল্পপতি ইসফা খায়রুল হক শিমুল, যার প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ৪৭৪টি; মোটরসাইকেল প্রতীকের অ্যাডভোকেট রায়হান কায়সার, তিনি পেয়েছেন মাত্র ৪৩৮ ভোট; একতারা প্রতীকের বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী মো. আলতাফ হোসেন মোল্লা, যার ভোট সংখ্যা ৯২৯টি; এবং হাতপাখা প্রতীকের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রুহুল আমিন, যিনি ৬১০ ভোট পেয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























