ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে ঢাকামুখী লেনে গতকাল সোমবার মধ্যরাত থেকে সৃষ্টি হওয়া তীব্র যানজট জনজীবনে চরম দুর্ভোগ বয়ে এনেছে। দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকা হাজার হাজার যাত্রী ও চালক এই অচলাবস্থার শিকার হয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও অংশের লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় এই যানজটের সূত্রপাত। সেতুর ওপর দিয়ে ধীরগতির যানবাহন চলাচল পুরো মহাসড়কে প্রভাব ফেলেছে। রাত যত গড়িয়েছে, সোনারগাঁও অংশের যানজট ততই গজারিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
ঢাকাগামী এক ট্রাকচালক জানান, দাউদকান্দি ব্রিজ পার হওয়ার পর থেকেই তিনি যানজটে আটকে আছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও যানজট না কমায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অপর এক প্রাইভেটকার চালক বলেন, “মহাসড়কের গজারিয়া অংশের ঢাকামুখী লেনের প্রায় ১৩ কিলোমিটার এলাকা কার্যত স্থবির হয়ে আছে। স্বাভাবিক সময়ে যে দূরত্ব মাত্র ৮-১০ মিনিটে অতিক্রম করা যায়, সেখানে আড়াই ঘণ্টা বসে থাকার পরও মেঘনা ব্রিজ পার হওয়া সম্ভব হয়নি।” কুমিল্লামুখী লেনে যানবাহন চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও ঢাকামুখী লেনে পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।
গজারিয়া ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ অংশে ক্ষতিগ্রস্ত লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কার কাজের জন্যই সোমবার মধ্যরাত থেকে ঢাকামুখী লেনে যানজট শুরু হয় এবং তা পরবর্তীতে গজারিয়া অংশে ছড়িয়ে পড়ে। যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। তবে, সংস্কার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই দুর্ভোগ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।
রিপোর্টারের নাম 
























