ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৩: জামানত হারালেন ৯ প্রার্থী, ভোটের হিসাব নিকাশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁও) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মোট ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, বৈধ ভোটের নির্দিষ্ট অংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে তার জামানত অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে প্রার্থীর জমা দেওয়া জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে এবার মোট ভোটারদের ৫৭.৪১ শতাংশ বা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬১৬ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ৭ হাজার ৭৬৪টি ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়, ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৫২। এই বৈধ ভোটের ১২.৫ শতাংশ হলো ৪১ হাজার ৬০৭ ভোট।

এই হিসাব অনুযায়ী, আসনটির ৯ জন প্রার্থী ৪১ হাজার ৬০৭ ভোটের কম পাওয়ায় তাদের জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন: স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (২০,৩৭৯ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম (৪,৫৯৬ ভোট), গণ-সংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস (৬৩৮ ভোট), জনতার দলের আবদুল করীম মুন্সী (২৮৫ ভোট), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর আরিফুল ইসলাম (১৩৭ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মসীহ (১৪,২২৩ ভোট), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহজাহান (১,১৯৩ ভোট), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (৭৬৯ ভোট) এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী (৩১৪ ভোট)।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধানল: সর্বোচ্চ নেতাকে হারিয়েও ইরানের অপ্রতিরোধ্য পাল্টা হামলা

নারায়ণগঞ্জ-৩: জামানত হারালেন ৯ প্রার্থী, ভোটের হিসাব নিকাশ

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁও) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মোট ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, বৈধ ভোটের নির্দিষ্ট অংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে তার জামানত অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে প্রার্থীর জমা দেওয়া জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে এবার মোট ভোটারদের ৫৭.৪১ শতাংশ বা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬১৬ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ৭ হাজার ৭৬৪টি ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়, ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৫২। এই বৈধ ভোটের ১২.৫ শতাংশ হলো ৪১ হাজার ৬০৭ ভোট।

এই হিসাব অনুযায়ী, আসনটির ৯ জন প্রার্থী ৪১ হাজার ৬০৭ ভোটের কম পাওয়ায় তাদের জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন: স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (২০,৩৭৯ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম (৪,৫৯৬ ভোট), গণ-সংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস (৬৩৮ ভোট), জনতার দলের আবদুল করীম মুন্সী (২৮৫ ভোট), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর আরিফুল ইসলাম (১৩৭ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মসীহ (১৪,২২৩ ভোট), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহজাহান (১,১৯৩ ভোট), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (৭৬৯ ভোট) এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী (৩১৪ ভোট)।