ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

সিরাজগঞ্জে ৬ আসনে ২৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৩৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপি পাঁচটি ও জামায়াত ইসলামী একটি আসনে জয়লাভ করেছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সদর আংশিক)
এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে বিএনপি মনোনীত সেলিম রেজা ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত শাহিনুর আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ ভোট। এই আসনে জামানত হারানো চার প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির জহুরুল ইসলাম (লাঙ্গল, ২ হাজার ৩৪ ভোট), গণঅধিকার পরিষদের মল্লিকা খাতুন (ট্রাক, ১ হাজার ১৭০ ভোট), নাগরিক ঐক্যের নাজমুস সাকিব (কেটলি, ৩২ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সবুর (ঘোড়া, ২৬৩ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ)
সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এই আসনে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে বিএনপি মনোনীত ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ ভোট। এ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে পাঁচ প্রার্থীর। তারা হলেন, সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের এস. এম আব্দুল্লাহ আল মামুন (মই, ৮৬৫ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুহিবুল্লাহ (হাতপাখা, ২ হাজার ১৬৭ ভোট), জনতার দলের সোহেল রানা (কলম, ১৮২ ভোট), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আনোয়ার হোসেন (কাস্তে, ৭৬৯ ভোট) এবং গণঅধিকার পরিষদের মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান (ট্রাক, ৪১০ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ)
এই আসনে চারজন প্রার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৪ ভোট পেয়ে বিএনপি মনোনীত আয়নুল হক ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের মুহা: আব্দুর রউফ সরকার, যিনি রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৩৩ ভোট। এ আসনে জামানত হারানো অন্য দুই প্রার্থী হলেন জাতীয় পার্টির ফজলুল হক (লাঙ্গল, ১ হাজার ৬৫৮ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইলিয়াছ রেজা রবিন (ঘোড়া, ১ হাজার ৬ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া)
উল্লাপাড়া নিয়ে গঠিত সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে জামায়াত মনোনীত রফিকুল ইসলাম খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের এম. আকবর আলী পান ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। এই আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া তিন প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন জাতীয় পার্টির হিল্টন প্রামাণিক (১ হাজার ২১৩ ভোট), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুর রহমান (হাতপাখা, ২ হাজার ২১৬ ভোট) এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুল হাকিম (কাস্তে, ৬৯৫ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী)
তাঁত সমৃদ্ধ সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে বিএনপি মনোনীত আমিরুল ইসলাম খান আলীম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত আলী আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৮০৫ ভোট। জামানত হারানো অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলনের নুরুন নবী (হাতপাখা, ৫ হাজার ৭৫৯ ভোট), জাতীয় পার্টির আকবার হোসেন (লাঙ্গল, ১ হাজার ২২৪ ভোট), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মতিয়ার রহমান (কাস্তে, ৩২৮ ভোট) এবং গণঅধিকার পরিষদের ইউসুফ আলী (ট্রাক, ২৩৫ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর)
জেলার মধ্যে শাহজাদপুর নিয়ে গঠিত সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে সর্বাধিক ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে বিএনপি মনোনীত এম এ মুহিত ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৫০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এস, এম সাইফ মোস্তাফিজ, যিনি শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ৮২৪ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে বাকি নয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. মোশারফ হোসেন শহিদুল (মোমবাতি, ১ হাজার ১৩০ ভোট), ইসলামী আন্দোলনের মিসবাহ উদ্দিন (হাতপাখা, ২ হাজার ৫৮০ ভোট), জাতীয় পার্টির মোক্তার হোসেন (লাঙ্গল, ১ হাজার ৯৮ ভোট), সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন (মই, ৪০০ ভোট), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ইলোরা খাতুন (তারা, ৮৯০ ভোট), আম জনতার দলের আসাদুল হক (প্রজাপতি, ৬৫৩ ভোট), আমার বাংলাদেশ পার্টির আবু জাফর মো. আনোয়ারুস সাদাত (ঈগল, ২৭১ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ন কবির (ঘোড়া, ৪৪১ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ওয়াসেফ ইকবাল খান মজলিস (হেলিকপ্টার, ২৫২ ভোট)।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধানল: সর্বোচ্চ নেতাকে হারিয়েও ইরানের অপ্রতিরোধ্য পাল্টা হামলা

সিরাজগঞ্জে ৬ আসনে ২৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় : ০৬:৩২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিরাজগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৩৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনই তাদের জামানত হারিয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপি পাঁচটি ও জামায়াত ইসলামী একটি আসনে জয়লাভ করেছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর-সদর আংশিক)
এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে বিএনপি মনোনীত সেলিম রেজা ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত শাহিনুর আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ ভোট। এই আসনে জামানত হারানো চার প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির জহুরুল ইসলাম (লাঙ্গল, ২ হাজার ৩৪ ভোট), গণঅধিকার পরিষদের মল্লিকা খাতুন (ট্রাক, ১ হাজার ১৭০ ভোট), নাগরিক ঐক্যের নাজমুস সাকিব (কেটলি, ৩২ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সবুর (ঘোড়া, ২৬৩ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ)
সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী এই আসনে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে বিএনপি মনোনীত ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ ভোট। এ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে পাঁচ প্রার্থীর। তারা হলেন, সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের এস. এম আব্দুল্লাহ আল মামুন (মই, ৮৬৫ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুহিবুল্লাহ (হাতপাখা, ২ হাজার ১৬৭ ভোট), জনতার দলের সোহেল রানা (কলম, ১৮২ ভোট), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আনোয়ার হোসেন (কাস্তে, ৭৬৯ ভোট) এবং গণঅধিকার পরিষদের মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান (ট্রাক, ৪১০ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ)
এই আসনে চারজন প্রার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৪ ভোট পেয়ে বিএনপি মনোনীত আয়নুল হক ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের মুহা: আব্দুর রউফ সরকার, যিনি রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৩৩ ভোট। এ আসনে জামানত হারানো অন্য দুই প্রার্থী হলেন জাতীয় পার্টির ফজলুল হক (লাঙ্গল, ১ হাজার ৬৫৮ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইলিয়াছ রেজা রবিন (ঘোড়া, ১ হাজার ৬ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া)
উল্লাপাড়া নিয়ে গঠিত সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে জামায়াত মনোনীত রফিকুল ইসলাম খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের এম. আকবর আলী পান ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। এই আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া তিন প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন জাতীয় পার্টির হিল্টন প্রামাণিক (১ হাজার ২১৩ ভোট), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুর রহমান (হাতপাখা, ২ হাজার ২১৬ ভোট) এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুল হাকিম (কাস্তে, ৬৯৫ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী)
তাঁত সমৃদ্ধ সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে বিএনপি মনোনীত আমিরুল ইসলাম খান আলীম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত আলী আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৮০৫ ভোট। জামানত হারানো অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলনের নুরুন নবী (হাতপাখা, ৫ হাজার ৭৫৯ ভোট), জাতীয় পার্টির আকবার হোসেন (লাঙ্গল, ১ হাজার ২২৪ ভোট), বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মতিয়ার রহমান (কাস্তে, ৩২৮ ভোট) এবং গণঅধিকার পরিষদের ইউসুফ আলী (ট্রাক, ২৩৫ ভোট)।

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর)
জেলার মধ্যে শাহজাদপুর নিয়ে গঠিত সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে সর্বাধিক ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ আসনে বিএনপি মনোনীত এম এ মুহিত ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৫০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এস, এম সাইফ মোস্তাফিজ, যিনি শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ৮২৪ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে বাকি নয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. মোশারফ হোসেন শহিদুল (মোমবাতি, ১ হাজার ১৩০ ভোট), ইসলামী আন্দোলনের মিসবাহ উদ্দিন (হাতপাখা, ২ হাজার ৫৮০ ভোট), জাতীয় পার্টির মোক্তার হোসেন (লাঙ্গল, ১ হাজার ৯৮ ভোট), সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন (মই, ৪০০ ভোট), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ইলোরা খাতুন (তারা, ৮৯০ ভোট), আম জনতার দলের আসাদুল হক (প্রজাপতি, ৬৫৩ ভোট), আমার বাংলাদেশ পার্টির আবু জাফর মো. আনোয়ারুস সাদাত (ঈগল, ২৭১ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ন কবির (ঘোড়া, ৪৪১ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ওয়াসেফ ইকবাল খান মজলিস (হেলিকপ্টার, ২৫২ ভোট)।