চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রই নিরাপত্তার শঙ্কায় রয়েছে। এই আসনের মোট ১০৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৬টি কেন্দ্রকেই ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তায় প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
নির্বাচনী সামগ্রী বিতরণের সময় বুধবার সকালে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। আবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার বরুণ কান্তি সাহা দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নির্বাচন কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে তার স্থলে বাবলু বড়ুয়াকে ওই কেন্দ্রের নতুন প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মিরসরাইয়ের এই আসনে এবার মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন (ধানের শীষ) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমানের (দাঁড়িপাল্লা) মধ্যে।
নির্বাচনী মাঠে থাকা অন্য প্রার্থীরা হলেন— জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রেজাউল করিম (আপেল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল মনোনীত প্রার্থী শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (হাত-পাঞ্জা) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির প্রার্থী এ.কে.এম আবু ইউছুপ (তারা)।
ভোটের দিন শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















