আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে ভোট কেনা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে বিএনপি ও জামায়াত। বুধবার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তপ্ত ছিল নির্বাচনী মাঠ। উভয় পক্ষই নগদ অর্থ বিতরণ ও ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগ তুলে একে অপরের বিরুদ্ধে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দাখিল করেছে।
বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এবং জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা জহির কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা তানজিদ মজিদ বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে নগদ অর্থ বিতরণ করে ভোট কেনার চেষ্টা করছেন। এছাড়াও, বিএনপির কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে তাদের নারী ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রেজাউল করিম। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ১১ জন প্রিসাইডিং অফিসারকে কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই দায়িত্বে সংযুক্ত করা হয়েছে। কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাও ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের প্রভাবিত করে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন।
তবে এর আগেই সকালে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি পাল্টা অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের সেক্রেটারি রাতের আঁধারে ভোটারদের নগদ টাকা দিয়ে ভোট কিনতে গিয়ে জনগণের হাতে ধরা পড়েন। পরে তিনি এমন কাজ করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। হ্যাপি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিম নিজেই একাধিক স্থানে ভোটারদের নগদ অর্থ দিয়ে ভোট চেয়েছেন এবং ঘর নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনার প্রমাণও ইতিমধ্যে মিলেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















