গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আসন্ন নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা নির্বাচনী কারসাজি হতে পারে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, এমন কোনো তৎপরতা চালানো হলে দেশের জনগণ তা মেনে নেবে না এবং সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। বুধবার বিকেলে পৌর এলাকার আমেনা প্লাজায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সাকী বলেন, ভোটারের পরিচিতি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ধর্মীয় পোশাকের প্রতি সম্মান রেখেই ভোটগ্রহণের সময় ভোটারের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। একটি বিশেষ ধরনের পোশাক জাল ভোট প্রদানে সহায়তা করতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
সাকী অভিযোগ করেন, প্রশাসন কোনো বিশেষ দলের পক্ষে প্রভাবিত হলে অনেক অনিয়ম দেখেও না দেখার ভান করতে পারে। গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে জাল ভোট, কেন্দ্র দখলের পরিকল্পনা এবং কালো টাকার ছড়াছড়ির মতো বিষয়গুলো নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে। প্রশাসন এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
জোনায়েদ সাকী দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, কিছু দল নির্বাচনী কারসাজির ওপর আস্থা রাখলেও এ দেশের জনগণ কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ মেনে নেবে না। এমন অপচেষ্টা চালানো হলে দেশবাসী সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করবে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত দুদিন ধরে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি বাঁশের লাঠি তৈরি করে ভোটারদের ভয় দেখানোর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া, নির্দিষ্ট দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মেহেদি হাসান পলাশ সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ খালেকসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 






















