নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভোটের সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনী যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বুধবার সকালে বরিশালে নির্বাচনকালীন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আয়োজিত এক সামরিক মহড়ায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এম খায়ের উদ্দিন।
মেজর জেনারেল খায়ের উদ্দিন জানান, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিভাগের সকল জেলাসহ মাদারীপুর ও বাগেরহাটে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ৭ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে এবং এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। শান্তি ও নিরাপত্তার পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, পরিচয় নির্বিশেষে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা তুলে ধরে তিনি বলেন, যেকোনো প্রয়োজনে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে রিজার্ভ ফোর্স মোতায়েন করা হবে। শুধু বরিশাল অঞ্চল নয়, দেশের যেকোনো প্রান্তে এ ধরনের অভিযান পরিচালনায় সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত। একইসঙ্গে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে সাধারণ ভোটারদের কোনো প্রকার আতঙ্ক ছাড়াই নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান।
এর আগে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট চলাকালীন ভোটকেন্দ্রে উদ্ভূত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘জরুরি প্রতিক্রিয়া ও সমন্বিত কার্যক্রম’ শীর্ষক এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ায় একটি কাল্পনিক ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা এবং তা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর পেশাদারী কৌশল প্রদর্শন করা হয়, যেখানে একটি সামরিক হেলিকপ্টারও অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 






















