অমর একুশে বইমেলার দীর্ঘদিনের প্রথা ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার দাবিতে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি প্রতীকী বইমেলা আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে ‘একুশে বইমেলা সংগ্রাম পরিষদ’। এই কর্মসূচি সফল করতে লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। মূলত ১ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরুর সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এই ব্যতিক্রমী মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমির কবি আল মাহমুদ কর্নারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ও আহ্বানের কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক সংগঠনের নেতারা মেলা শুরুর তারিখ পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে একুশে বইমেলা সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মফিজুর রহমান লালটু বলেন, অমর একুশে বইমেলা কেবল একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে ১ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২০ ফেব্রুয়ারি মেলা শুরুর সিদ্ধান্ত দেশের হাজার হাজার লেখক, পাঠক, প্রকাশক ও সংস্কৃতিকর্মীকে চরমভাবে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, যারা দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের উদ্দেশ্য সফল করতেই মেলার স্বাভাবিক সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে।
পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাঙালির প্রাণের স্পন্দন এই মেলার ধারাবাহিকতা রক্ষায় ১ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী প্রতীকী বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে। এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এই প্রতীকী মেলার মাধ্যমে সরকারের অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানানো হবে। একই সঙ্গে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিন থেকেই যেন বইমেলার প্রাণের স্পন্দন অনুভূত হয়, সেই লক্ষ্যেই সর্বস্তরের মানুষকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























