দেড় বছর আগে জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি বড় অংশ এখনো উদ্ধার হয়নি। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই অশনাক্ত অস্ত্রের অস্তিত্ব দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। এক হাজারের বেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুই লাখেরও অধিক গোলাবারুদের হদিস না মেলায় অপরাধ ও সংঘাত বাড়ার আশঙ্কা করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর গত দেড় বছরেও পুলিশ বাহিনী পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর মধ্যেই নির্বাচনের আগে একের পর এক গোলাগুলি ও হত্যার ঘটনা ভোটারদেরকে আরও উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
অস্ত্র লুট ও উদ্ধার অভিযান
জুলাই আন্দোলনের সময় বিতর্কিত ভূমিকার কারণে পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের ব্যাপক ক্ষোভ জন্ম নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় পাঁচই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাড়ে চারশ’র বেশি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে, গণভবন থেকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) অস্ত্রশস্ত্রও লুট হয়।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছিল, হামলাকারীরা সবমিলিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার আগ্নেয়াস্ত্র এবং সাড়ে ছয় লাখের মতো গোলাবারুদ লুট করে নিয়ে গেছে। তবে সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এক বৈঠকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, গণঅভ্যুত্থানের সময় লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের প্রকৃত সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৬১৯টি এবং চার লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়েছিল। লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে চাইনিজ রাইফেলসহ বিভিন্ন ধরনের বন্দুক, সাব মেশিনগান (এসএমজি), লাইট মেশিনগান (এলএমজি), পিস্তল, শটগান, গ্যাসগানসহ আরও নানা ধরনের অস্ত্র ছিল।
হারিয়ে যাওয়া এসব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সেনা-পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী বিশেষ অভিযান শুরু করে। গত দেড় বছরে দুই হাজার ২৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যা লুট হওয়া অস্ত্রের প্রায় ৬২.৪ শতাংশ। এছাড়া প্রায় দুই লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে, যা লুটকৃত গোলাবারুদের প্রায় ৫২ শতাংশ। বাকি অস্ত্র উদ্ধারে গত জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকার পুরস্কারও ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে এলএমজি’র সন্ধান দেওয়ার জন্য পাঁচ লাখ, এসএমজি’র জন্য দেড় লাখ এবং চাইনিজ রাইফেলের জন্য এক লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া পিস্তল ও শটগানের জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতি রাউন্ড গুলির সন্ধানের জন্য ৫০০ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অপরাধীদের হাতে লুটের অস্ত্র
থানা থেকে পুলিশের যেসব অস্ত্র ও গুলি লুট হয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে অনেক অস্ত্র ও গুলি গত দেড় বছরে ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, এমনকি মানুষ হত্যার মতো অপরাধ কাজেও ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বছরের এপ্রিল মাসে চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলনা থেকে আটক দুই ব্যক্তির কাছ থেকে পুলিশের ব্যবহৃত দুটি পিস্তল, একটি শটগান এবং বেশকিছু গুলি উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তখন পুলিশ জানিয়েছিল যে, আটক ব্যক্তিরা লুটের ওইসব অস্ত্র ও গুলি চাঁদাবাজিসহ নানান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করে আসছিল। এ ঘটনার কয়েক মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম থেকেও লুটের বেশকিছু অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে পুলিশ, যেগুলো ছিনতাই ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এছাড়া ২০২৪ সালের নভেম্বরে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় শাহিদা আক্তার নামের এক নারীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তদন্তে কর্মকর্তারা জানতে পারেন যে, ঢাকার ওয়ারী থানা থেকে লুট করা পিস্তল দিয়ে হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে। পরে হত্যাকারীকে গ্রেফতার করে সেই পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, “লুটের যেসব অস্ত্র সাধারণ অপরাধীদের হাতে পড়েছে, তারাই ছিনতাই-ডাকাতির মতো ঘটনায় সেগুলো ব্যবহার করছে। কিন্তু আরেকটি বড় উদ্বেগের জায়গা হলো, অনেক অস্ত্র হাতবদল হয়ে উগ্র গোষ্ঠীগুলোর কাছেও চলে যেতে পারে। সেটি ঘটে থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।” পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নুরুল হুদা একই কথা উল্লেখ করে বলেন, “হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র সব সময়ই নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হয়ে থাকে। কারণ সেগুলো কাদের হাতে পড়েছে এবং তারা কী উদ্দেশ্যে সেটার ব্যবহার করতে চাচ্ছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব না।”
নির্বাচন ঘিরে বাড়তি উদ্বেগ
অতীতের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এবারের সংসদ নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ রয়েছে বলে জানাচ্ছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম বলেন, “এই বাড়তি উদ্বেগের একটি বড় কারণ হলো পুলিশ বাহিনীর দুর্বল অবস্থান। সাধারণ মানুষ এখনো তাদের ওপর পুরোপুরি ভরসা রাখতে পারছেন না।” জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকার কারণে পুলিশের সদস্যরা অনেক জায়গায় হামলা ও হত্যার শিকার হন। এ অবস্থায় একদিকে বাহিনীর শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে, সেইসঙ্গে পুলিশের সদস্যরাও নৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর পুলিশকে মাঠে ফেরানো গেলেও গত দেড় বছরে বাহিনীটি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, “পুলিশের এই দুর্বল অবস্থানের কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, কিন্তু পুলিশের সদস্যরা সেখানে কতটা শক্ত ভূমিকা পালন করতে পারবেন, সেটি নিয়ে সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।” নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে এবার ৫১টি দল ভোটে অংশ নিচ্ছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না আওয়ামী লীগ। অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম মনে করেন, “একটি বড় দল হওয়ার পরও নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ায় দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। ফলে তারা নির্বাচন পণ্ড করার চেষ্টা করতে পারেন। এটা এবারের নির্বাচনের আরেকটা বড় ঝুঁকি করতে পারে।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থার মধ্যে লুটের সব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় নির্বাচনের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মেজর এমদাদুল ইসলাম বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানোর পরও লুটের অস্ত্র ও গুলির বড় একটি অংশ জমা পড়েনি। কাজেই এটা পরিষ্কার যে, যাদের কাছে অস্ত্রগুলো রয়েছে, তারা সেগুলো ভালো কোনো উদ্দেশ্যে রাখেনি।” তিনি আরও বলেন, “সুযোগ পেলেই তারা অস্ত্রগুলোকে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে। এক্ষেত্রে নির্বাচনের মৌসুমকে তারা সুযোগ হিসেবে দেখতে পারে।”
ইতোমধ্যেই একাধিক প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। এর মধ্যে গত ডিসেম্বরে গুলি করে হত্যা করা হয় ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে। সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, “প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে, এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপরেও হামলার ঘটনা ঘটতে দেখা যাচ্ছে, যা আইনশৃঙ্খলা নিয়ে জনগণকে নেতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।”
এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রার্থীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বহু প্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে অস্ত্র রাখার লাইসেন্স। তবে মেজর এমদাদুল ইসলাম এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “দেখা যাচ্ছে, যারা লাইসেন্স পাচ্ছেন তাদের অনেকেই অস্ত্র ঠিকমত ব্যবহারও করতে জানেন না। ফলে সেটা অন্য কারো হাতে চলে যেতে পারে। সেটার চেয়ে বড় কথা, নির্বাচনের সময় একজন প্রার্থীর হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার অর্থ হলো প্রতিপক্ষের ওপর তাকে এক ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দেওয়া। এটাও ভালো কোনো আলামত নয়।”
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের গত দেড় বছরের শাসনামলে একের পর এক গোলাগুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের হিসাবে, গত ১৭ মাসে গোলাগুলির বিভিন্ন ঘটনায় কমপক্ষে ২২ জন নিহত এবং ১৩৭ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলীম প্রশ্ন তোলেন, “নির্বাচনের সময়েও যদি মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকে যায়, তাহলে তারা ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে কতটা আগ্রহ দেখাবেন?”
সরকারের অবস্থান ও চ্যালেঞ্জ
থানা থেকে লুট হওয়া এক তৃতীয়াংশেরও বেশি অস্ত্র এবং প্রায় অর্ধেক গোলাবারুদের সন্ধান এখনো পায়নি পুলিশ। এতে নিরাপত্তা প্রশ্নে বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় নির্বাচনের আগেই অস্ত্রগুলো উদ্ধারের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, লুটের অস্ত্রসহ অবৈধ সকল অস্ত্র উদ্ধারে তারা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। তবে অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, “নির্বাচনের আর মাত্র অল্প কয়েকদিন বাকি রয়েছে। সেজন্য স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, গত দেড় বছরে যেসব অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি, এই অল্প কয়েক দিনের মধ্যে কি সেটা সম্ভব হবে?”
তবে উদ্ধার করা না গেলেও নির্বাচনে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ রাখা গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, “সেক্ষেত্রে অস্ত্রগুলো যেন ব্যবহার হতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করাটা জরুরি। বিশেষ করে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এ বিষয়ে আরও সতর্ক হতে হবে এবং তৎপরতা দেখাতে হবে।”
বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে লুটের অস্ত্র যাতে নির্বাচনকালে ব্যবহার না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। গত ১৮ই জানুয়ারি রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “যে অস্ত্রগুলি লুট হয়ে গেছে আমাদের থানা থেকে, ওই অস্ত্র কিছু আছে যা এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয় নাই। বাট (কিন্তু) এই অস্ত্রগুলি ইলেকশনের (নির্বাচনের) সময় এরা ব্যবহার করতে পারবে না। এই প্রতিশ্রুতি আমি আপনাদের দিতে পারি।”
এবার নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সেনা, পুলিশ, বিজিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য মাঠে থাকবেন বলে জানিয়েছে সরকার। অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, “তারা সবাই সতর্ক অবস্থানে থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব। কিন্তু কোনো কারণে যদি সেটার ব্যত্যয় ঘটে, সেক্ষেত্রে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।”
রিপোর্টারের নাম 
























