ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে ওয়ানডে সিরিজ জেতার পর বাংলাদেশ দল বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিল। কিন্তু চট্টগ্রামে এসে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই ১৬ রানে হেরে যাওয়ায় সেই আত্মবিশ্বাসে একটা বড় ধাক্কা লেগেছে। সিরিজে এখন লিটন দাসের দল ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে, তাই আজ একই মাঠে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে স্বাগতিকদের।
তবে মাঠের লড়াইয়ের চেয়েও বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মোন্থা’ এরই মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এর প্রভাবে মোংলা, পায়রা, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে, আজ (বুধবার) থেকেই উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হতে পারে এবং বৃহস্পতি ও শুক্রবার তা আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে। এর ফলে, আজকের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি এবং শুক্রবারের শেষ ম্যাচ—দুটিই বৃষ্টির হুমকির মুখে পড়েছে।
অবশ্য কিছুটা আশা ভরসা দিচ্ছে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামের উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা। এই স্টেডিয়ামের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বেশ ভালো হওয়ায়, ভারি বৃষ্টি হলেও মাঠ দ্রুত খেলার জন্য প্রস্তুত করে তোলা সম্ভব।
আবহাওয়ার চিন্তার পাশাপাশি বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্টকে ভাবাচ্ছে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা। প্রথম ম্যাচে জেতার জন্য ১৬৬ রানের সহজ লক্ষ্য পেয়েও বাংলাদেশ দল ১৬ রান দূরেই থেমে গিয়েছিল। টপ অর্ডার এবং মিডল অর্ডারের কোনো ব্যাটসম্যানই সেদিন দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারেননি।
ম্যাচ শেষে পেসার তানজিম হাসান সাকিবও ব্যাটিংয়ের ঘাটতির কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আমরা পাওয়ার প্লে-তেই উইকেট হারিয়ে ফেলেছিলাম। ওই সময় যদি কেউ একজন উইকেটে থিতু হতে পারতো, তাহলে খেলার চিত্রটা অন্যরকম হতে পারতো। মিডল অর্ডার আরেকটু দায়িত্ব নিয়ে খেললে ম্যাচটা আমরাই জিততে পারতাম।”
অধিনায়ক লিটন দাসও ব্যাটসম্যানদের, বিশেষ করে শামীম পাটোয়ারিকে, কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। শামীম প্রথম ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাত্র ১ রান করে আউট হয়ে যান। এর আগেও শেষ ছয়টি ইনিংসে তিনি চারবারই শূন্য রানে আউট হয়েছেন।
সিরিজে টিকে থাকার এই ম্যাচে একাদশে কিছু পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বাজে ফর্মের কারণে শামীমের জায়গায় জাকের আলীকে দেখা যেতে পারে। এছাড়া পেস বোলিং বিভাগে তাসকিন আহমেদের বদলে শরিফুল ইসলাম সুযোগ পেতে পারেন।
রিপোর্টারের নাম 

























