চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ সুগম হয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) তাঁর বিরুদ্ধে আনীত আইনগত ত্রুটি ও নির্বাচন বিধিমালা লঙ্ঘনের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বৈধ ঘোষণা করেছে। রোববার ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানির পর কমিশন সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এর ফলে চট্টগ্রাম-৪ (চসিক ৯-১০ নম্বর ওয়ার্ড) সীতাকুণ্ড সংসদীয় আসনে আসন্ন নির্বাচনে লায়ন আসলাম চৌধুরীর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না।
নির্বাচন কমিশন সূত্রমতে, আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবিতে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী আনোয়ার ছিদ্দীক চৌধুরী এবং দুটি ব্যাংক পৃথকভাবে আপিল আবেদন করেছিল। এসব আপিলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে আর্থিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। যদিও পূর্বনির্ধারিত আপিল শুনানির তারিখ ছিল গত শনিবার, তবে তা একদিন পিছিয়ে রোববার অনুষ্ঠিত হয়।
নির্ধারিত দিনে নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ উভয় পক্ষের বক্তব্য অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করেন। শুনানিকালে আসলাম চৌধুরীর পক্ষে তাঁর আইনজীবীরা প্রাসঙ্গিক নথি ও আইনসম্মত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন। কমিশন সকল কাগজপত্র, তথ্য এবং উপস্থাপিত যুক্তি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, প্রার্থীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর স্বপক্ষে কোনো আইনগত ত্রুটি বা নির্বাচন বিধিমালা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায়, উত্থাপিত আপিলগুলো খারিজ করে দিয়ে তাঁর মনোনয়ন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর ব্যক্তিগত আইনজীবী জানান, “আসলাম চৌধুরী একজন নির্যাতিত নেতা। বর্তমান সরকারের আমলে তাঁকে মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ সময় কারাবন্দি রাখা হয়েছিল। আইনের ন্যূনতম তোয়াক্কা না করে তাঁকে কারাবন্দি করার ফলে তিনি ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও ব্যবসায়িকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।”
রিপোর্টারের নাম 























