ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

সুন্দরবনে হরিণ শিকার প্রতিরোধে বন বিভাগের বড় অভিযান: দুই শতাধিক ‘মালা ফাঁদ’ উদ্ধার

সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী রক্ষায় বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে বন বিভাগ। এর অংশ হিসেবে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকা থেকে হরিণ শিকারের জন্য পেতে রাখা দুই শতাধিক ‘মালা ফাঁদ’ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সাতক্ষীরা রেঞ্জের কলাগাছিয়া টহলফাঁড়ির আওতাধীন ফুলখালী এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বনাঞ্চলের গহীনে হরিণসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী নিধনে দুষ্কৃতিকারীরা বিভিন্ন কৌশলে এসব ফাঁদ পেতে রেখেছিল। নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে কলাগাছিয়া টহলফাঁড়ির ফরেস্টার তাইবুর রহমান ও শাহিনুর রহমানের নেতৃত্বে এবং স্থানীয় কমিউনিটি প্যাট্রোলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যদের সহায়তায় অভিযানটি চালানো হয়। এ সময় বনের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে দুই শতাধিক বিশেষ ধরনের মালা ফাঁদ জব্দ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের ফরেস্ট রেঞ্জার মো. ফজলুল হক জানান, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বন বিভাগ অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দুষ্কৃতিকারীরা বনের গহীনে সুবিধাজনক স্থানে ফাঁদ পেতে বন্যপ্রাণী হত্যার অপচেষ্টা চালায়। তবে নিয়মিত ‘ফুট পেট্রোলিং’ বা পায়ে হেঁটে টহল জোরদার করার ফলে শিকারিদের এসব অপতৎপরতা নস্যাৎ করে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বনের দুর্গম এলাকাগুলোতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে বন্যপ্রাণী শিকারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও সম্পদ রক্ষায় বন বিভাগের এই কঠোর নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান ৬৬০ সুন্নি ধর্মীয় নেতার

সুন্দরবনে হরিণ শিকার প্রতিরোধে বন বিভাগের বড় অভিযান: দুই শতাধিক ‘মালা ফাঁদ’ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী রক্ষায় বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে বন বিভাগ। এর অংশ হিসেবে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকা থেকে হরিণ শিকারের জন্য পেতে রাখা দুই শতাধিক ‘মালা ফাঁদ’ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সাতক্ষীরা রেঞ্জের কলাগাছিয়া টহলফাঁড়ির আওতাধীন ফুলখালী এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বনাঞ্চলের গহীনে হরিণসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী নিধনে দুষ্কৃতিকারীরা বিভিন্ন কৌশলে এসব ফাঁদ পেতে রেখেছিল। নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে কলাগাছিয়া টহলফাঁড়ির ফরেস্টার তাইবুর রহমান ও শাহিনুর রহমানের নেতৃত্বে এবং স্থানীয় কমিউনিটি প্যাট্রোলিং গ্রুপের (সিপিজি) সদস্যদের সহায়তায় অভিযানটি চালানো হয়। এ সময় বনের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে দুই শতাধিক বিশেষ ধরনের মালা ফাঁদ জব্দ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের ফরেস্ট রেঞ্জার মো. ফজলুল হক জানান, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বন বিভাগ অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দুষ্কৃতিকারীরা বনের গহীনে সুবিধাজনক স্থানে ফাঁদ পেতে বন্যপ্রাণী হত্যার অপচেষ্টা চালায়। তবে নিয়মিত ‘ফুট পেট্রোলিং’ বা পায়ে হেঁটে টহল জোরদার করার ফলে শিকারিদের এসব অপতৎপরতা নস্যাৎ করে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বনের দুর্গম এলাকাগুলোতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে বন্যপ্রাণী শিকারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও সম্পদ রক্ষায় বন বিভাগের এই কঠোর নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।