পাবনার ফরিদপুরে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর এক স্কুলছাত্রীর হাত-পা ও মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বিলনলুয়া গ্রাম সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে ১৩ বছর বয়সী সুরাইয়া খাতুনের লাশটি উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং নিহত স্কুলছাত্রীর পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত সুরাইয়া উপজেলার বিএলবাড়ি ইউনিয়নের জন্তিহার গ্রামের স্বপন খানের মেয়ে। সে জন্তিহার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৩ জানুয়ারি বিকেলে নিজ বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয় সুরাইয়া। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। অবশেষে গত ১৬ জানুয়ারি সুরাইয়ার দাদা আব্দুল জব্বার খান ফরিদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজের দুদিন পর, অর্থাৎ রবিবার সকালে স্থানীয় কৃষকরা বিলনলুয়া গ্রামের জমিতে কাজ করতে গিয়ে ডোবার পানিতে একটি হাত-পা ও মুখ বাঁধা মরদেহ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে সুরাইয়ার পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি শনাক্ত করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে, ফরিদপুর থানা পুলিশ দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম আকনজি জানান, “স্কুলছাত্রী সুরাইয়ার হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং তদন্ত শুরু করেছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।”
রিপোর্টারের নাম 























