ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

আমির খসরুর আসন পরিবর্তন, তার আসনে মনোনয়ন পেলেন সাঈদ নোমান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, হালিশহর ও খুলশী) আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে ওই আসনের পরিবর্তে তিনি চট্টগ্রাম-১১ আসনে (বন্দর-পতেঙ্গা) নির্বাচন করবেন। চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী করা হয়েছে বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমানকে। সাঈদ নোমান জাতীয়তাবাদী পাটশ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকালে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর আসন পরিবর্তন করা হয়েছে। আমির খসরুর আগের আসনে সাঈদ আল নোমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে দল। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বিএনপি। ফাঁকা ছিল চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) ও চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ)। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১১ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ায় এখন কেবল চট্টগ্রাম-১৪ আসন ফাঁকা রয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমির খসরুর ছেলে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু চৌধুরীও মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

প্রার্থী ঘোষণার পর চট্টগ্রামের ৭টি আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন, মশালমিছিল ও সড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটে। এর মধ্যে একটি আসন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড)। এ আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মো. সালাউদ্দিনকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। ওই আসন থেকে বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এবার সালাউদ্দিনকে পরিবর্তন করে আসলাম চৌধুরীকে ওই আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে দল।

চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা ও ৩৪টি থানা এলাকা নিয়ে মোট ১৬টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর মধ্যে নগরে ৪টি, উত্তরে ৭টি এবং দক্ষিণে ৫টি আসন। ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর তিন জন রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হয়। প্রার্থী হওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট ১৫০টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছে।

তবে দলের নামে কিংবা স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপির মোট ৫৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া বিএনপির ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। অর্থাৎ প্রায় ৭৫ শতাংশই দলীয় মনোনয়নের বাইরে। দলের প্রার্থীর বাইরে কোনও কোনও আসনে সর্বোচ্চ আট জন পর্যন্ত বিএনপির নেতা মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিতে ইরানের পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রতি কড়া বার্তা

আমির খসরুর আসন পরিবর্তন, তার আসনে মনোনয়ন পেলেন সাঈদ নোমান

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, হালিশহর ও খুলশী) আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে ওই আসনের পরিবর্তে তিনি চট্টগ্রাম-১১ আসনে (বন্দর-পতেঙ্গা) নির্বাচন করবেন। চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী করা হয়েছে বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমানকে। সাঈদ নোমান জাতীয়তাবাদী পাটশ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকালে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর আসন পরিবর্তন করা হয়েছে। আমির খসরুর আগের আসনে সাঈদ আল নোমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে দল। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল বিএনপি। ফাঁকা ছিল চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) ও চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ)। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-১১ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ায় এখন কেবল চট্টগ্রাম-১৪ আসন ফাঁকা রয়েছে। চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমির খসরুর ছেলে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু চৌধুরীও মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

প্রার্থী ঘোষণার পর চট্টগ্রামের ৭টি আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন, মশালমিছিল ও সড়ক অবরোধের ঘটনাও ঘটে। এর মধ্যে একটি আসন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড)। এ আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মো. সালাউদ্দিনকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। ওই আসন থেকে বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এবার সালাউদ্দিনকে পরিবর্তন করে আসলাম চৌধুরীকে ওই আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে দল।

চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা ও ৩৪টি থানা এলাকা নিয়ে মোট ১৬টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর মধ্যে নগরে ৪টি, উত্তরে ৭টি এবং দক্ষিণে ৫টি আসন। ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর তিন জন রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হয়। প্রার্থী হওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট ১৫০টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছে।

তবে দলের নামে কিংবা স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপির মোট ৫৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া বিএনপির ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। অর্থাৎ প্রায় ৭৫ শতাংশই দলীয় মনোনয়নের বাইরে। দলের প্রার্থীর বাইরে কোনও কোনও আসনে সর্বোচ্চ আট জন পর্যন্ত বিএনপির নেতা মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।