ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

১০ হাজার টাকার চুক্তিতে আগুন দেওয়া হয় নির্বাচন অফিসে: পুলিশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক জানিয়েছেন, ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে জেলা নির্বাচন অফিসে আগুন দেয় আসামি মো. রুবেল (৪১)। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকালে পুলিশ সুপার তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান।

১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসে আগুন দেয় মুখোশ পরা এক যুবক। অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশ সংগ্রহ করে অনুসন্ধানে নামে। এরপর পুলিশ একপর্যায়ে অভিযুক্ত রুবেলকে শনাক্ত করে।

অভিযুক্ত রুবেল লক্ষ্মীপুর পৌরসভা (১০নং ওয়ার্ড) মজুপুর  গ্রামের মৃত আব্দুল হাসের ছেলে এবং সাবেক সদর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল আজিজ হাকিমের বড় ভাই।

পুলিশ সুপার জানান, প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য শাহাজাহান কামাল এমপির এপিএস শিশুল চক্রবর্তীর নির্দেশে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে অভিযুক্ত রুবেল নির্বাচন অফিসে আগুন দেয়। আগুন দেওয়ার আগে রুবেলকে দুই হাজার টাকা দেওয়া হয়। আগুন দেওয়ার পরে চুক্তির আট হাজার টাকা পরিশোধ করে শিমুল চক্রবর্তী। এ ছাড়া ছোট ভাই আব্দুল আজিজ হাকিম ছাত্রলীগ করার কারণে বিদ্যুৎ অফিস থেকে তার চাকরি চলে যায়। দীর্ঘদিন বেকার থাকার কারণে আসামি রুবেল লোভে পড়ে আগুন দেয় জেলা নির্বাচন অফিসে।

গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার আদালতে নেওয়া হলে রুবেল আগুন দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিতে ইরানের পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রতি কড়া বার্তা

১০ হাজার টাকার চুক্তিতে আগুন দেওয়া হয় নির্বাচন অফিসে: পুলিশ

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক জানিয়েছেন, ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে জেলা নির্বাচন অফিসে আগুন দেয় আসামি মো. রুবেল (৪১)। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকালে পুলিশ সুপার তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান।

১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসে আগুন দেয় মুখোশ পরা এক যুবক। অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশ সংগ্রহ করে অনুসন্ধানে নামে। এরপর পুলিশ একপর্যায়ে অভিযুক্ত রুবেলকে শনাক্ত করে।

অভিযুক্ত রুবেল লক্ষ্মীপুর পৌরসভা (১০নং ওয়ার্ড) মজুপুর  গ্রামের মৃত আব্দুল হাসের ছেলে এবং সাবেক সদর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল আজিজ হাকিমের বড় ভাই।

পুলিশ সুপার জানান, প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য শাহাজাহান কামাল এমপির এপিএস শিশুল চক্রবর্তীর নির্দেশে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে অভিযুক্ত রুবেল নির্বাচন অফিসে আগুন দেয়। আগুন দেওয়ার আগে রুবেলকে দুই হাজার টাকা দেওয়া হয়। আগুন দেওয়ার পরে চুক্তির আট হাজার টাকা পরিশোধ করে শিমুল চক্রবর্তী। এ ছাড়া ছোট ভাই আব্দুল আজিজ হাকিম ছাত্রলীগ করার কারণে বিদ্যুৎ অফিস থেকে তার চাকরি চলে যায়। দীর্ঘদিন বেকার থাকার কারণে আসামি রুবেল লোভে পড়ে আগুন দেয় জেলা নির্বাচন অফিসে।

গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার আদালতে নেওয়া হলে রুবেল আগুন দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।