মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১১:২৪ পূর্বাহ্ন | ৬ই নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | শুক্রবার, ২১শে কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

যে ৫টি আমলের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব

  • হালনাগাদ সময় : ০২:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টিই সবচেয়ে বড় বিষয়। এটাই মহাসাফল্য।’ (সূরা তাওবা: ৭২)। এই আয়াতের আলোকে দুনিয়ার মানুষ নানাভাবে মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে থাকেন, কারণ দুনিয়া ও আখেরাতের প্রকৃত সফলতা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির ওপরই নির্ভরশীল। কোরআন ও হাদিসের আলোকে এমন কিছু আমলের কথা নিচে তুলে ধরা হলো, যা মহান আল্লাহকে অধিক খুশি করে।

আন্তরিক তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা: মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনোভাবে পাপ ও ত্রুটির শিকার হয়। কিন্তু আল্লাহর কাছে প্রিয় বান্দা সে নয়, যে কখনো ভুল করে না; বরং সে-ই, যে ভুল করার পর নিজের অপরাধ উপলব্ধি করে অনুতপ্ত হৃদয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে আসে। পাপের পর তওবা করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ অধিক তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সূরা আল বাকারা: ২২২)।

ফরজ ইবাদত যথাযথভাবে আদায়: আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো তার ফরজ বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন করা। অনেক মানুষ নফল ইবাদতে আগ্রহী হলেও ফরজ ইবাদতের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন। অথচ ফরজ আমলের বিকল্প কোনো নফল আমল হতে পারে না। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমার বান্দা যেসব কাজের মাধ্যমে আমার নৈকট্য অর্জন করে, তার মধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো সেই কাজগুলো, যা আমি তার ওপর ফরজ করেছি।’ (সহিহ বোখারি: ৬৫০২)।

আল্লাহর পথে ব্যয় ও অসহায়দের সহযোগিতা করা: সম্পদ মানুষের জীবনে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত। এই সম্পদ শুধু নিজের ভোগবিলাসে ব্যয় করার জন্য নয়, বরং অসহায়, দরিদ্র, এতিম ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যও। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় সম্পদ থেকে অন্যকে সাহায্য করে, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার একটি কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহতায়ালা কেয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর করে দেবেন।’ (সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯)।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৯ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

05 November 2026

নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটলে সার ডিলার নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

যে ৫টি আমলের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব

হালনাগাদ সময় : ০২:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেন, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টিই সবচেয়ে বড় বিষয়। এটাই মহাসাফল্য।’ (সূরা তাওবা: ৭২)। এই আয়াতের আলোকে দুনিয়ার মানুষ নানাভাবে মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে থাকেন, কারণ দুনিয়া ও আখেরাতের প্রকৃত সফলতা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির ওপরই নির্ভরশীল। কোরআন ও হাদিসের আলোকে এমন কিছু আমলের কথা নিচে তুলে ধরা হলো, যা মহান আল্লাহকে অধিক খুশি করে।

আন্তরিক তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা: মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনোভাবে পাপ ও ত্রুটির শিকার হয়। কিন্তু আল্লাহর কাছে প্রিয় বান্দা সে নয়, যে কখনো ভুল করে না; বরং সে-ই, যে ভুল করার পর নিজের অপরাধ উপলব্ধি করে অনুতপ্ত হৃদয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে আসে। পাপের পর তওবা করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ অধিক তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সূরা আল বাকারা: ২২২)।

ফরজ ইবাদত যথাযথভাবে আদায়: আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো তার ফরজ বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন করা। অনেক মানুষ নফল ইবাদতে আগ্রহী হলেও ফরজ ইবাদতের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন। অথচ ফরজ আমলের বিকল্প কোনো নফল আমল হতে পারে না। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমার বান্দা যেসব কাজের মাধ্যমে আমার নৈকট্য অর্জন করে, তার মধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো সেই কাজগুলো, যা আমি তার ওপর ফরজ করেছি।’ (সহিহ বোখারি: ৬৫০২)।

আল্লাহর পথে ব্যয় ও অসহায়দের সহযোগিতা করা: সম্পদ মানুষের জীবনে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত। এই সম্পদ শুধু নিজের ভোগবিলাসে ব্যয় করার জন্য নয়, বরং অসহায়, দরিদ্র, এতিম ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্যও। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় সম্পদ থেকে অন্যকে সাহায্য করে, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার একটি কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহতায়ালা কেয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর করে দেবেন।’ (সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯)।

Share this news as a Photo Card