ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়োজিত চিকিৎসকদের নির্দিষ্ট কোনো পোশাক বা ড্রেসকোড নেই। ফলে কে চিকিৎসক, কে নার্স আর কে দালাল—তা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে একাধিক কক্ষে চিকিৎসকদের অনুপস্থিত দেখতে পেয়ে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন তিনি।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘হাসপাতালে আসা রোগীদের সব সময় অভিযোগ থাকে যে তারা সঠিক সময়ে চিকিৎসা সেবা পান না। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেও অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। জনগণের সেবা নিশ্চিত করতেই আমরা এই পরিদর্শনে এসেছি এবং পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য হাসপাতালেও যাওয়া হবে।’
চিকিৎಸকদের গাফিলতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দুপুর সোয়া ১২টার দিকেও জরুরি বিভাগের বিভিন্ন কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের এ ধরনের অনুপস্থিতি ও পরিচয় স্পষ্ট না থাকায় রোগীরা পদে পদে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য ও রোগীদের বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদক কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
পরিদর্শনের বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন জানান, হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ উন্নত করতে তারা কাজ করছেন এবং দুদক চেয়ারম্যানের উত্থাপিত অনিয়মগুলো সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

























